বাংলাদেশে চীনা নির্মাণ কোম্পানিগুলোর যত অনিয়ম

আপডেট : ০২ জুন ২০২২, ২২:০৯

প্রায়ই বিভিন্ন গণমাধ্যমে বাংলাদেশে চীনা নির্মাণ কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ উঠছে। কিন্তু এরপরও এসব প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম বন্ধ হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, চীন সরকার এসব কোম্পানিগুলোর দুর্নীতি ও অসৎ আচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

বাংলাদেশে সড়ক ও সেতু নির্মাণে নিয়োজিত চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানির বিরুদ্ধে নির্মাণ উপকরণ আমদানির সময় কর ফাঁকির সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। মেগাপ্রকল্পে এই তহবিল আত্মসাতের ঘটনা সামনে আসায়, বাংলাদেশের তিনটি অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে চীন সরকার।

একটি কেস স্টাডিতে দেখা গেছে, পদ্মা সেতুর উভয় প্রান্তে রেললাইন বসানো এবং চট্রগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ- এই দুটি প্রকল্পেরই কাজ শেষ করতে অনেক দেরি হচ্ছে। একাধিকবার প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির কারণে মূল প্রাক্কলনের দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। 

চীনা কোম্পানিগুলো চীন থেকে সাব কন্ট্রাক্টর নিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকারকে ট্যাক্স না দেওয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে এক প্রতিবেদনে।

এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে লাইন প্রকল্পে কাজ করা চীনা কোম্পানি ১৬ জন চীনা সাব-কন্ট্রাক্টর নিয়োগ করেছে এবং তাদের মূল কোম্পানির একটি অংশ হিসেবে দেখিয়েছে। এছাড়া ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) সাথে কাজ করা চীনা কোম্পানি টেবিয়ান ইলেকট্রিক অ্যাপার্যাটাস (টিবিইএ) চারটি চীনা সাব ঠিকাদার নিয়োগ করেছে।

 

ইত্তেফাক/এএইচপি