গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার আলোচিত কামাল হোসেন হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে বিচারিক আদালত। এছাড়া অন্য ২৩ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্বাস উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম চাঁন মিয়া ওরফে চান্দু (৫২)। তবে আসামি পলাতক রয়েছে।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৬ মে মো. কামাল হোসেন উপজেলার তিতা গ্রামের মো. ইসমাইল মোল্লার স্ত্রীর কুলখানি শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় মামলার প্রধান আসামি চাঁন মিয়া বাড়ির পাশে ওত পেতে থাকে। কামাল হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে চাঁন মিয়া ও তার সঙ্গীরা কামালের ওপর হামলা করে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। এক পর্যায়ে কামালের বুকে কাতরা দিয়ে কোপ মারে। এতে ঘটনাস্থলেই কামাল লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে নিহতের বাবা মো. শাহাদাৎ ফকির বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় ২৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। কাশিয়ানী থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফয়সাল আহম্মেদ ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বাদী চার্জশিটে না রাজি জানান। পরে আদালত পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআইর এসআই এমদাদুল হক ২০২০ সালে ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
