ফুলবাড়ীতে বোরো ধান কাটতে কৃষকের বাড়তি খরচ

আপডেট : ০৫ জুন ২০২২, ১৯:০৮

ফুলবাড়ী উপজেলায় এবার বোরোর ফলন অনেক ভালো হয়েছে। তবে দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ায় ধান গোলায় তুলতে সমস্যায় পড়তে হয়েছে কৃষকদের। এছাড়া শ্রমিকের অতিরিক্ত মজুরির কারণেও ধান ঘরে তুলতে বাড়তি খরচ গুনতে হয়েছে তাদের। এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে ভর্তুকির মাধ্যমে উপজেলার ৯ জন কৃষকের মধ্যে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন দেওয়া হলেও চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল। সব মিলিয়ে বোরোর ভালো ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে। 

উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে ১৪ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং চাষও হয়েছে একই পরিমাণ জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ধান আকারে ৮৬ হাজার ৮৩৮ মেট্রিক টন এবং চাল আকারে ৫৭ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন। 

উপজেলা চকচকা গ্রামের কৃষক জিল্লুর রহমান ও কাঁটাবাড়ী গ্রামের আসাদুল ইসলাম বলেন, ধান কাটা শেষ পর্যায়ে আসলেও কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বেশ কিছু পাকা ধানের খেতে পানি জমে আছে। শ্রমিকরা পানির মধ্যেই ধান কাটছেন। অনেক ধান আবার পাকার আগেই ঝরে মাটিতে পড়ে খেতেই নষ্ট হয়েছে। শুকনার সময় প্রতি বিঘা ধান কাটা, আনা ও মাড়াই করতে আট জন শ্রমিক লাগলেও খেতে পানি থাকায় ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিক লাগছে। এতে অনেক বেশি খরচ হচ্ছে। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার বলেন, ধানের বাম্পার ফলন হলেও অন্য বছরের তুলনায় শ্রমিকের মূল্য বেশি হওয়ায় কৃষকেরা সমস্যায় পড়েছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে ৫০ শতাংশ ভর্তুকিতে ৯টি কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে| সেগুলো ধান কাটার কাজেই ব্যবহৃত হচ্ছে। 

ইত্তেফাক/এআই