পাবনা সদরে ভেজালবিরোধী অভিযানে বিদেশি নকল প্রসাধনী তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ১০ রকমের বিপুল পরিমাণ বিদেশি নকল প্রসাধনী জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। আটক কারখানার মালিককে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হাছনাতের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। সাজাপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী হলেন পাবনা পৌর সদরের শালগাড়িয়া গোলাপবাগ মহল্লার আসাদুজ্জামান ওরফে মাসুম।
পাবনা ডিবি পুলিশের ওসি আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, কারখানা থেকে ১০ রকমের বিপুল পরিমাণ বিদেশি নকল প্রসাধনী হোয়াইট বিউটি ক্রিম, তুর্কি স্কিন হোয়াইট বিউটি ক্রিম, ৪০০ প্লাস হোয়াইটিনিং ক্রিম, স্কিন কেয়ার হোয়াইট ক্রিম, ফাইজা বিউটি ক্রিম, লাবিবা হোয়াইটিনিং ক্রিম, গোল্ডেন গাল্ড হোয়াইটিনিং ক্রিম, ডারমা প্লাস হোয়াইটিনিং বডি লোশন, ডি আর দেবী হোয়াইটিনিং ক্রিম এবং রজনী গন্ধা পারফিউম সামগ্রী জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য দেড় লাখ টাকা। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রসাধনী তৈরির কারখানা লিয়ন কসমেটিক্সের মালিক আসাদুজ্জামান ওরফে মাসুমকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত আসাদুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
