৮০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে চবিতে ব্যতিক্রমী বিজ্ঞান মেলা

আপডেট : ০৯ জুন ২০২২, ১৯:১৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাইন্টিফিক সোসাইটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী বিজ্ঞান মেলা। বৃহস্পতিবার (৯ জুন) দিনব্যাপী এ মেলায় সারা দেশের ৮০টি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৮০০ শিক্ষার্থী অংশ নেন। যেখানে পোস্টার প্রেজেন্টেশন, প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশন, হ্যাকাথন, রোবো সকার কম্পিটিশন, উপস্থিত বক্তৃতা ও কুইজ প্রভৃতি ৬টি সেগমেন্টে অনুষ্ঠিত হয় এ মেলা। মেলায় বেশ কিছু প্রজেক্ট নজর কাড়ে দর্শকদের। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীন আক্তার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আজকের যুগে বিজ্ঞান সর্বতোভাবে গ্রহণ না করলে আমরা পিছিয়ে যাব। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও বিজ্ঞান চর্চায় সহযোগিতা করে আসছে। করোনার সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সম্মুখ সারিতে থেকে কোভিড-১৯ ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করেছেন। আগামী দিনেও যদি কোন মহামারী আসে তাহলে সেভাবে তার মোকাবেলা করা হবে।

প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির প্রফেসর ও স্বাধীনতা পুরষ্কারপ্রাপ্ত গবেষক, বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. হাসিনা খান। তিনি বলেন, বিজ্ঞান মনস্ক জাতি গঠনে এ ধরনের আয়োজন করা জরুরি। বিজ্ঞান চর্চা যত বাড়বে, মানুষ ততো সচেতন হবে। পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে। অতিলোভ ও সীমালঙ্ঘন থেকে বিরত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা পৃথিবীকে যতো ভালভাবে পেয়েছি, তোমরা সেভাবে পাবেনা। জলবায়ুর পরিবর্তন আমাদের সব কিছু পরিবর্তন করে দিচ্ছে। এই যে হাওড়ে আধা পাকা ধান কাটতে হলো,তা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই। এখনই যদি আমরা সচেতন না হই, সামনে আরো খারাপ অবস্থা হবে।

এর আগে বেলা ১১টায় জাতীয় সংগীত ও পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দে, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নাসিম হাসান, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর সিরাজ উদ দৌল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ড. রাশেদ মোস্তফা, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মফিদুল আলম, মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের প্রফেসর বাসনা মুহুরী।

আয়োজনের আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন চবি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান এবং সদস্য সচিব হিসেবে ছিলেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. লায়লা খালেদা।

উল্লেখ্য, মেলায় প্রত্যেক সেগমেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপদের সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়।

ইত্তেফাক/এআই