প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির বিষয়টি বারবার আসার পরও এ সংক্রান্ত যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেসব একেবারেই পর্যাপ্ত নয়। এছাড়া বাজেটের লক্ষ্য পূরণে নেওয়া পদক্ষেপগুলোও পরিপূর্ণ নয় এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অপর্যাপ্ত বলে মন্তব্য করেছে বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
বৃহস্পতিবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) কার্যালয়ে বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় এই কথা বলেন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।
সিপিডি বলছে, মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনীতির নানা চাপ রয়েছে। চাপ মোকাবিলায় ৬টি লক্ষ্যের কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী। যার মধ্যে রয়েছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বর্ধিত ভর্তুকির জন্য অর্থায়নের সংস্থান, বৈদেশিক অর্থের ব্যবহার নিশ্চিত করা, টাকার বিনিময় মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং রিজার্ভ সন্তোষজনক রাখা।
এ বিষয়ে ড. ফাহমিদা বলেন, ‘আমরা দেখেছি বাজেটে মূল্যস্ফীতি কথাটি অনেকবার এলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর পদক্ষেপ পর্যাপ্ত নয়। কর কাঠামোতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাবনা যথেষ্ট নয়, অনেক পণ্যেই কর রয়ে গেছে। বাজেটে গম ছাড়া নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক পণ্যে করছাড় নেই। মূদ্রাস্ফীতির এই সময়ে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি করা হয়নি, ভর্তুকি ও সামাজিক সুরক্ষার আওতা ওই অর্থে বাড়েনি।’
তিনি বলেন, ‘বিদেশ থেকে অর্থ আনার বিষয়টি সম্পূর্ণ অনৈতিক। আর একটি বিষয় হচ্ছে এটা কখনই বাস্তবায়নযোগ্য নয়, তার চেয়ে বড় কথা হলো এটা অনৈতিক। একদিকে অর্থপাচারের সুযোগ দিয়ে আবার অর্থ ফিরিয়ে আনার সুযোগ করে দেবো। অন্যদিকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য করছাড় থাকবে না। সেটা সামাজিক ন্যায় বিচারের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।’

‘এই বাজেট গণমুখী উন্নয়নধর্মী এবং বিনিয়োগবান্ধব’