ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়ার দুইটি পয়েন্ট প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। এতে কখনও মানুষ প্রাণে মারা যাচ্ছেন, কখনও বরণ করছেন পঙ্গুত্ব। গজারিয়া মহাসড়কে পথচারীদের দুর্ঘটনা এড়াতে জামালদি ও ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণে জোর দাবি জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের দুটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড ও জামালদি বাসস্ট্যান্ড। ব্যস্ততম এই দুই স্থানে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক যাতায়াত করছেন। মহাসড়কের রাস্তার দুই পাশে রয়েছে স্কুল, কলেজ, মসজিদ, হাসপাতাল, শপিংমল, ব্যাংক, সমিতি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিনের চাহিদা মেটাতে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছেন জনগণ।
প্রতিদিন এই দুই বাসস্ট্যান্ড হয়ে যাতায়াত করছে আশেপাশের প্রায় ২৫-৩০টি গ্রামের সাধারণ নারী-পুরুষ। পারাপার হচ্ছে স্কুল-কলেজগামী শিশু-কিশোররা।
আরও পড়ুন: নাগেশ্বরীতে অটো রিকশার ধাক্কায় শিশু নিহত
সম্প্রতি গত ২৫ মে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অংশের মেঘনার দ্বিতীয় সেতু উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। গজারিয়ার জামালদী বাসস্ট্যান্ড থেকে হাস পয়েন্ট পর্যন্ত মহাসড়কের এই অংশটুকু প্রায় আট লেনের চেয়েও প্রশস্ত। কিন্তু বৃহৎ এই প্রশস্ত অংশে নেই কোনো ডিভাইডার, আইল্যান্ড, এমনকি নেই পথচারীদের রাস্তা পারাপারে জেব্রাক্রসিং। সেতু উন্মুক্তের মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় পথচারী এক শিশু। এবং দুই দিনের মাথায় অর্থাৎ ২৭ মে সোমবার সকালে জামালদি বাসস্ট্যান্ডে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় এক পা হারিয়ে এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক।
ইত্তেফাক/অনি

