বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

পরমাণু বোমা তৈরি বাড়তে পারে সামনের বছরগুলোতে: থিংক ট্যাংক

আপডেট : ১৩ জুন ২০২২, ১৩:৩০

স্নায়ুযুদ্ধের পর এই প্রথমবারের মতো বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রাগার বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ঝুঁকি কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) নামের থিংকট্যাংক সোমবার (১৩ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

বিজ্ঞপ্তিতে গবেষণা সংস্থাটি দাবি করছে, রুশ বাহিনীর ইউক্রেনে আক্রমণ এবং ইউক্রেনকে পশ্চিমাদের সমর্থন বিশ্বের ৯টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা সামান্য হ্রাস পেয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো যদি কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তবে কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা বাড়বে। 

এসআইপিআরআইয়ের গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচির পরিচালক উইলফ্রেড ওয়ান বলেন, ‘বিশ্বের সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র তাদের অস্ত্রাগার বাড়াচ্ছে। এটি খুবই উদ্বেগজনক ঘটনা।’

ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার তিন দিন পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ হামলাকে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ বলে অভিহিত করেছিলেন এবং এ যুদ্ধে রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন। তিনি বারবার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। 

রাশিয়ার কাছে বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে। দেশটিতে ৫ হাজার ৯৭৭টি ওয়ারহেড রয়েছে। এই সংখ্যাটি যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ৫৫০টি বেশি। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছে বিশ্বের ৯০ শতাংশের বেশি ওয়ারহেড রয়েছে। অন্যদিকে চীনের কাছে ৩০০ টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে।

এসআইপিআরআই বলেছে, বিশ্বব্যাপী পরমাণু ওয়ারহেডের সংখ্যা ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ছিল ১৩ হাজার ৮০ টি। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে তা কমে ১২ হাজার ৭০৫টি এসে দাঁড়ায়। তবে আগামী বছর তা আবার বাড়তে পারে।

ইত্তেফাক/টিআর