শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

মৌসুমীর অডিও বার্তার পর লাইভে যা বললেন ওমর সানী (ভিডিও)

আপডেট : ১৩ জুন ২০২২, ১৬:৪৯

ফের উত্তাল বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গন। চিত্রনায়ক ওমর সানীকে পিস্তল বের করে গুলি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে। এনিয়ে গতকাল জায়েদ খানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি লিখিত অভিযোগ করেছেন ওমর সানী। তবে গত দুই দিনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ঘি ঢেলে দিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। জায়েদ খান নির্দোষ বলে দাবি করেছেন মৌসুমী। মৌসুমী জানিয়েছেন, জায়েদ কখনোই তাকে অসম্মান করেনি, বরং মিথ্যা কথা বলছে ওমর সানী। জায়েদ অনেক ভালো ছেলে। তবে ওমর সানী ভাই কেন এত আনন্দ পাচ্ছেন তা বুঝতে পারছেন না এই চিত্রনায়িকা।

মৌসুমীর বক্তব্যের পর পাল্টা কথা বলেছেন ওমর সানী। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ফেসবুক লাইভে আসেন ওমর সানী।

লাইভে তিনি বলেন, আমার ৩২ বছরের ফিল্ম ক্যারিয়ারে আজ পর্যন্ত কেউ আঙুল তুলে কথা বলতে পারবে না। বিশেষ করে আমার স্ত্রীকে (মৌসুমী) আমি বিয়ে করেছি ২৭ বছর। আমার দুটি ছেলে-মেয়ে আছে। আমি গতকাল জায়েদ খানের বিরুদ্ধে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে একটি অভিযোগ করেছি। সেই অভিযোগের বিষয়ে আমি এখনো অটল। মৌসুমী কী ভেবে জায়েদ খানকে ভালো বলেছে আমি জানি না। এই ঘটনাটি সামনে আমার অভিভাবক হিসেবে আমার ছেলে ফারদিন সবাইকে পরিষ্কার করবে। আমি চাইনা সংসার জীবনের এই ২৭ বছরে এসে পরিবারের মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবোঝি হোক। কিন্তু একজন বাইরের মানুষ এসে আমাদের সংসার ভাঙার চেষ্টা করছে। আপনারা নিজেরাই জানেন সে মানুষটি কে।

ওমর সানী বলেন, আপনার দয়া করে মৌসুমীকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করবেন না। আপনাররা সবাই জানেন জায়েদ খান কী।

এর আগে মৌসুমী বলেন, ‘আমি মনে করি আমার প্রসঙ্গটা টানার কোনো প্রয়োজন ছিল না। আমি জায়েদকে অনেক স্নেহ করি ও আমাকে যথেষ্ট সম্মান করে। আমাদের মধ্যে যতটুকু কাজের সম্পর্ক, সেটি খুবই ভালো একটা সম্পর্ক। সেখানে ও আমাকে অসম্মান করার কোনো প্রশ্নই উঠে না। আর ওর মধ্যে গুণ ছাড়া এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে এমন কিছুই আমি দেখিনি। তারপর বলব ও অনেক ভালো ছেলে। সে কখনই আমাকে অসম্মান করেনি।’

মৌসুমী আরও বলেন, ‘কেন এই প্রশ্নটা বারবার আসছে, সে আমাকে বিরক্ত করছে-উত্ত্যক্ত করছে, এই জিনিসটা আমার আসলে... জানি না এটি কেন হচ্ছে। এটি যদিও একান্ত আমাদের ব্যক্তিগত সমস্যা। সে সমস্যা আমাদের পারিবারিকভাবেই সমাধান করা দরকার ছিল।’

ইত্তেফাক/বিএএফ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন