কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলায় বর্ষার পানি পুরোপুরি আসার আগেই নদীনালা, খালবিল ও মাঠঘাটে ছেয়ে গেছে চায়না বিং জাল ও কারেন্ট জালে। ঋতু বৈচিত্র্যে জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাসে মাছের প্রজননকাল। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নতুন পানিতে ডিম দিতে আসা মা-মাছ ও পোনা মাছ নিধন করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে উপজেলার সবুজপাড়া, নতুন বন্দর, সোনাভরি নদী, হলহলিয়া নদী, ব্রহ্মপুত্র নদ, বড়াইকান্দি, উত্তর বাগুয়ারচরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অবাধে চায়না বিং জাল দিয়ে মাছ ধরছে মাঝিরা।
উপজেলার রসুলপুর গ্রামের সাদ্দাম ও কুদ্দুস আলী বলেন, পানিতে যদি মাছ থাকে তবে চায়না জালে তা ধরা পড়বেই, মা-মাছ, গুঁড়ামাছ, পোনামাছ, ডিমসহ জালের ভেতরে আটকা পড়ে। এছাড়াও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছের ফাঁদ পেতে সর্বনাশ করছে। পানিতে এখন কোনো মাছ নাই।
বাগুয়ারচর গ্রামের মাঝি বাবু মিয়া বলেন, ‘নদীতে কোনো মাছ নাই। চায়না জাল দিয়া মাছ সব মাইরা ফালাইছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান (রানা) বলেন, চায়না জাল ও কারেন্ট জালসহ যে সব জাল দিয়ে পোনা মাছ ধরা হয় সেগুলো আমাদের দেশে নিষিদ্ধ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
