ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন মার্কেটে দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন নেভানোর নিজস্ব কোনো ব্যবস্থা নেই। নিয়ম আছে প্রতি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এক বালতি করে পানি রাখার। কিন্তু তা কেউ রাখেন না। সবাই ভাবছেন ফায়ার ব্রিগেড প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেবে। অপর দিকে বেআইনিভাবে যত্রতত্র পানির বোতলে করে পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে। এতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা থাকলেও কেউ কিছু পরোয়া করেছেন না। তাছাড়াও শহরে একের পর এক হাইরাইজ বিল্ডিং উঠছে। কিন্তু অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই।
ঝিনাইদহ ফায়ার ব্রিগেড স্টেশনের অফিসার মো. সুমন আলি বলেন, দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে পানি ও বালিভর্তি বালতি রাখার নিয়ম আছে। কিন্তু কেউ তা রাখেন না। তাছাড়াও ফায়ার এস্টিঙ্গুসার (অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র) রাখার কথা। যাতে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে নিভিয়ে ফেলা যায়। এ ব্যাপারে মানুষ সচেতন নয়। এছাড়াও ঝিনাইদহ জেলাশহরের আয়তন বড় হয়েছে। পুকুরগুলো ভরাট করা হয়েছে। আগুন লাগলে পানি পাওয়া যায় না। পানির সন্ধান করতে সময় লেগে যায়। আগুনের ব্যাপারে মানুষকে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ফায়ার ব্রিগেডের পক্ষ থেকে প্রচারণা চালানো হয়ে থাকে। মানুষ আগুনের ব্যাপারে সচেতন হয় না।
তিনি বলেন, ঝিনাইদহ ফায়ার স্টেশনের ৫-৬ তলা পর্যন্ত আগুন নেভানোর সক্ষমতা আছে। জেলাশহরে অন্তত ১৫টি ১০তলা ভবন নির্মিত হয়েছে। উপজেলা শহরগুলোতেও হাইরাইজ ভবন তৈরি হয়েছে। এদিকে দোকানগুলোতে যত্রতত্র এবং খোলা জায়গায় পেট্রোল বিক্রি একেবারেই বেআইনি।
ফরিদ আহমেদ নামে শহরের একজন দোকানদার জানান, দোকানের সামনে পানি ও বালিভর্তি বালতি রাখার নিয়ম থাকলেও কেউ তা রাখেন না। তিনিও রাখেন না। ঝিনাইদহ দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম মন্টু বলেন, আগুন লাগলে দ্রুত নেভানোর জন্য দোকানের সামনে পানি ও বালিভর্তি বালতি রাখার কথা। কিন্তু এ নিয়ম কেউ মানেন না। ফায়ার সার্ভিসের লোকেরাও কিছু বলেন না।
