নির্বাচিত হলে ই-কমার্স খাতের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইক্যাব) নির্বাচনে অংশ নেওয়া ‘অগ্রগামী’ প্যানেলের লিডার ধানসিঁড়ির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শমী কায়সার।
তিনি বলছেন, নির্বাচনে জিততে পারলে সদস্যদের উন্নয়নে সাপোর্ট সেন্টার করবেন। খাতটিকে শৃঙ্খলায় ফেরাতে যেসব নীতি তৈরির কাজ চলছে, সেইসব নীতি তৈরিতে সরকারকে সর্বাত্মক সহায়তা করে নীতিগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবেন। একইসঙ্গে সদস্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থাও করবেন। খুব শিগগিরই শুরু করবেন ই-কমার্স খাতের ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ। নির্বাচনকে সামনে রেখে এমন প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন তিনি।
শমী কায়সার ই-ক্যাবের বর্তমান সভাপতি, এর আগেও একবার সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ৯টি পরিচালক পদে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে তার প্যানেল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে তিনি সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে হ্যাটট্রিক করবেন।
শনিবার (১৮ জুন) ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইক্যাব) নির্বাচনের ভোট হবে। নির্বাচনে এবার ভোটার ৭৯৫ জন। এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে দুটি প্যানেল। এর মধ্যে ‘অগ্রগামী’ প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ধানসিঁড়ির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শমী কায়সার। আরেক প্যানেল ‘ঐক্য’র টিম লিডার প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ।
সংগঠনটিতে এবারই সদস্যদের সরাসরি ভোটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুই প্যানেলের প্রার্থীরাই দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিশ্রুতি, চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচারণা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ই-ক্যাবের ইতিহাসে এবারই অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
শমী কায়সার বলেন, সংগঠনটি আগে ছোট ছিল। সবাই নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করতো না। এখন ইন্ড্রাস্ট্রি অনেক বড় হয়েছে। বিশেষ করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় শিল্পটির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। এখন এই খাতের বাজার প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার। প্রথম দিকে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ছিল মাত্র ৫০ জন। এখন সদস্য সংখ্যা ১৭০০। ভোটার ৭৯৫ জন।
