ঝালকাঠিতে কুকুরের কামড়ে আহত ৪২, হাসপাতালে নেই প্রতিষেধক

আপডেট : ২১ জুন ২০২২, ১৫:৩৮

ঝালকাঠিতে গতকাল সোমবার (২০ জুন) রাত ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার (২১ জুন) বেলা ১টা পর্যন্ত পাগলা কুকুরের কামড়ে ৪২ জন আহত হয়েছেন। তারা সবাই সদর হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে কুকুরে কামড়ানো রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ থাকলেও প্রতিষেধক রেবিক্স আইজি সাপ্লাই নেই। এতে বিপাকে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। 

ঝালকাঠি শহরের কামারপট্টি, কাটপট্টি, কুমারপট্টি, বাউকাঠিসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কুকুরে কামড়ানো রোগী নিয়ে হাসপাতালে ছুটে আসছেন স্বজনরা। এদিকে, কুকুরের এই হঠাৎ কামড়ানোর খবর শুনে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। 

আজ সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা কামারপট্টির রোগী অরুন পাল (৬৫), কাটপট্টি ট্রলারঘাটের আরেক রোগী তপন গুহসহ (৫০) আরও অনেকে বলেন, ‘আমাদের এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও বাহির থেকে প্রতিষেধক টিকা কিনতে হচ্ছে ১ হাজার টাকায়।’ 

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত সিনিয়র ব্রাদার মনিন্দ্র নাথ জানান, গত রোববার থেকে আকস্মিকভাবে কুকুরে কামড়ানো রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই বয়স্ক। প্রাথমিক চিকিৎসার পর্যাপ্ত ওষুধ থাকলেও প্রতিষেধক না থাকায় তা বাহির থেকে রোগীদের কিনতে হচ্ছে।’ 

এবিষয়ে সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. মেহেদী হাসান সানি বলেন, ‘কুকুরে কামড়ানো প্রতিষেধক রেবিক্স আইজি হাসপাতালে সাপ্লাই নেই। তাই এটা আমাদের দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে এসব রোগীর চিকিৎসার জন্য অন্য সব ওষুধ হাসপাতাল থেকেই দেওয়া হচ্ছে।’ 

এদিকে শহরে পাগলা কুকুরের কামড়ানোর চিকিৎসার বিষয়ে পৌরসভার প্যানেল মেয়র তরুণ কর্মকার বলেন, ‘কুকুরে কামড়ানো রোগীরা আমাদের কাছে এলে প্রত্যয়নপত্র দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া এসব কুকুর নিধনের বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় বিকল্প উপায়ে কুকুরগুলোকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে আর কাউকে কামড়াতে না পারে।’

ইত্তেফাক/মাহি