মঙ্গলবার, ০৯ আগস্ট ২০২২, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

চলনবিল অঞ্চলে নৌকা তৈরির ধুম

আপডেট : ২২ জুন ২০২২, ০২:৪৫

উজান থেকে নেমে আসা পানি আর কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের নদনদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। জনপদে পানি ঢুকে পড়ায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এ অবস্থায় এ অঞ্চলের মানুষের চলাচল ও মাছ ধরার মাধ্যম ডিঙি নৌকা তৈরি ও বিক্রির ধুম পড়েছে। বর্ষার আগমনকে ঘিরে নৌকা তৈরির কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলায় কারিগররা কারখানায় নৌকা তৈরি করছেন। বিভিন্ন হাটে নৌকা বিক্রি চলছে। নৌকা বেচাকেনায় নিয়োজিত ব্যবসায়ী ও মিস্ত্রিরা জানান, বর্ষা মৌসুমে চলনবিল অঞ্চলের অন্যতম বাহন এই ডিঙি নৌকা। এক পাড়া থেকে অন্যপাড়া যেতে এই নৌকার কোন বিকল্প নেই।

নৌকা তৈরির কারিগর আসলাম হোসেন, সুধির হলদারসহ অন্যরা জানান, ১২-১৫ হাত একটি নৌকা তৈরি করতে খরচ হয় ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা। ১০-১২ হাত নৌকা তৈরি করতে খরচ হয় আড়াই হাজার টাকা। প্রতিটি নৌকা ৫০০-৬০০ টাকা লাভে বিক্রি করা হয়।

চাটমোহরের নিমাইচড়া গ্রামের আসাদুজ্জামান জানান, এ বছর বন্যার প্রাদুর্ভাব বেশি বলে মনে হচ্ছে। তাই হাট থেকে ডিঙি নৌকা কিনেছি। পানি এসে গেছে, যেভাবে পানি বাড়ছে, নৌকা ছাড়া কোন উপায় নেই। নৌকার কারিগররা জানান, এবার নৌকার চাহিদা বেড়েছে। নৌকা তৈরির কাঠসহ উপকরণের দাম এবার বেশি, তাই দামও বেশি।

ছাইকোলা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান নুরু বলেন, চলনবিল অঞ্চলের বিভিন্ন হাটে নৌকা বেচাকেনার ধুম পড়েছে। কারণ বর্ষাকালে নৌকার কোন বিকল্প নেই।

ইত্তেফাক/এমএএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষে দাশুড়িয়া কলেজে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত 

সুজানগরে ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহকরা দিশেহারা

বিদ্যুৎসংকটে পাবনা বিসিকে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে

বেড়ার পাটপট্টিতে এখন সুনসান নীরবতা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

চাটমোহরে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেলো গৃহবধূর 

হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে ভাঙন! 

লোডশেডিং

পাবনায় অনিয়ন্ত্রিত লোডশেডিং

ভাঙ্গুড়ায় নদী দখল করে ভবন নির্মাণ