মালদ্বীপে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত নরেন্দ্র মোদি

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৯, ০৩:০৩

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করেছে মালদ্বীপ সরকার। দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ত নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গতকাল মালদ্বীপে যান নরেন্দ্র মোদি। মালদ্বীপে ক্রিকেটের উন্নয়নের অঙ্গীকার হিসেবে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহকে ক্রিকেট ব্যাট উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এছাড়া সফরে দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পরে দেশটির পার্লামেন্টে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এনডিটিভির

প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকারের পররাষ্ট্র নীতিতে বরাবরই প্রতিবেশি দেশকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই নীতির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মোদি ক্ষমতায় এসেই মালদ্বীপ সফরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। মালদ্বীপে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরপর এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে দেশটির সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘অর্ডার অব নিশানিজুদ্দিন’ প্রদান করেন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সোলিহ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি মোহাম্মদ সোলিহকে ক্রিকেট ব্যাট উপহার দেন। এই ব্যাটটিতে ভারতের ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের স্বাক্ষর রয়েছে। এক টুইটার বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ক্রিকেটের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করছি। আমার বন্ধু মোহাম্মদ সোলিহ একজন ক্রিকেট ভক্ত। তার স্বপ্ন পূরণে আমি ক্রিকেট ব্যাট উপহার দিলাম। ভারত মালদ্বীপে ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরিরও পরিকল্পনা করছে। এছাড়া ভারতের ক্রিকেট বোর্ড মালদ্বীপের ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। বোর্ডের একটি প্রতিনিধি দল গত মে মাসে মালদ্বীপ সফরও করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদি মালদ্বীপের পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে আশা প্রকাশ করে বলেন, বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা শিগগিরই সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে সম্মেলনের আয়োজন করবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো এলাকা নেই। দুর্ভাগ্য যে, এখনো অনেকে ভাল এবং খারাপ সন্ত্রাসী বলেন। জলবায়ু পরিবর্তনে মালদ্বীপের ঝুঁকি রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এ বিষয়ে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। মালদ্বীপের পাশে দাঁড়াতে পেরে ভারত গর্বিত বলে জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি। মালদ্বীপকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেন মোদি। গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন জরুরি অবস্থা জারির পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। তবে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের পর সম্পর্কে ফের উন্নতি হয়। প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম সোলিহের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গত বছর মালদ্বীপ গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।