নেত্রকোনার সার্বিক বন্যা পরিস্হিতি উন্নতি হয়েছে। নদ-নদীর পানি কমছে। তবে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। দুর্বিষহ জীবযাপন করছে পানিবন্দি কয়েক লাখ মানুষ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
আশ্রয় কেন্দ্র থেকে লোকজন নিজেদের বাড়িঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। জেলার ১০ উপজেলার ৭৭ ইউনিয়ন বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়। তলিয়ে যায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়ক। ইউনিয়ন থেকে উপজেলা সদরের প্রায় সব সড়ক এখন বিনষ্ট। জেলায় বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছেন ছয় জন। এলাকায় পানিবন্দি মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি, খাদ্যসংকট, জ্বর, পাতলা পায়খানাসহ পানিবাহিত নানা রোগ বালাই। এসব রোগ বালাইয়ে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। অপরদিকে জেলার চারটি উপজেলায় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণসহ চিকিত্সাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
নেত্রকোনার প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানান, জেলায় বন্যা দুর্গতদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ৩৩ লাখ নগদ টাকা, ৫৯৩ মেট্রিক টন চাল ও পাঁচহাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বিতরণ করা হচ্ছে।
