বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট ২০২২, ৩ ভাদ্র ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

খুলনায় দুই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মুন্না খুনের সম্পৃক্ততা আছে কি না, দেখছে পুলিশ

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২২, ০২:৪১

খুলনায় জুলকার নাঈম ওরফে মারজান আহম্মেদ ওরফে মুন্নাকে (৩৮) গুলি করে হত্যার পর এখনো পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম ও দৌলতপুরের ব্যবসায়ী হোজি শহীদ হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না সেটি সামনে রেখে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে পুলিশ।

এদিকে বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) দুপুরে নিহত মুন্নার বোন হোমায়রা বাদী হয়ে খালিশপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, মুন্নাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খালিশপুর থানার এসআই হাসমত আলী জানান, গত বুধবার রাতে খুন হওয়া মুন্নার লাশ ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। খালিশপুর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, হত্যাকাণ্ডের শিকার মুন্না দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম এবং নগরীর দৌলতপুরের ব্যবসায়ী হোজি শহীদ হত্যা মামলার আসামি ছিল। এ দুটি হত্যাকাণ্ডের জের ধরে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

উল্লেখ্য, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুর্বৃত্তদের গুলিতে খুন হওয়া জুলকার নাইম ওরফে মারজান আহম্মেদ ওরফে মুন্না দিঘলিয়া উপজেলার সুগন্ধী দেবনগর গ্রামের মৃত সোহরাব মোল্লার ছেলে। নিহত মুন্না সেনহাটি বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

ইত্তেফাক/জেডএইচডি