বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

সেমিতে উঠেও উইম্বলডন থেকে সরে দাঁড়ালেন নাদাল

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২২, ০৮:৫১

ভয়ে কুঁকড়ে গিয়েছিলেন সেবাস্তিয়ান নাদাল। কিছুটা রাগও তখন ভর করেছিল তার। এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক, কারণ তলপেটের ব্যথার যন্ত্রণায় ভুগতে থাকা ৩৬ বছর বয়সী সেই খেলোয়াড়ের বাবা তিনি। আরও ভয়ানক কিছু যাতে না হয় তাই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মাঝপথেই খেলা ছেড়ে দেওয়ার। কিন্তু তার ছেলে যে হারার আগে কখনোই হার মানতে রাজি নন। এমন অনেক ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করে একে একে শোকেসে সাজিয়ে রেখেছেন ২২টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম। যা আর কোনো পুরুষ খেলোয়াড়ই পারেনি। প্রকৃত যোদ্ধার মতো এবারও লড়াইটা জিতে নিলেন রাফায়েল নাদাল।

ম্যাচ শেষে তার বিজয়ী হাসি দেখে মনেই হয়নি ৪ ঘণ্টা ২০ মিনিটের এক ম্যারাথন লড়াই শেষ করেছেন, তাও চোট নিয়ে। ২৪ বছর বয়সী টেলর ফ্রিত্জ তার সর্বস্বটা দিয়েও তাকে দমাতে পারেননি। দুর্দান্ত খেলেও পাঁচ সেটের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর হেরে যান ৬-৩, ৫-৭, ৬-৩, ৫-৭, ৬-৭ (৪-১০) গেমে। যার ফলে অষ্টমবারের মতো উইম্বলডনের সেমিফাইনালে উঠলেন নাদাল, ‘সেমিফাইনালে উঠে আমি খুবই খুশি। পেটের অবস্হা ভালো নয়। তাই বাধ্য হয়ে কিছুটা ভিন্নভাবে সার্ভ করতে হয়েছিল। একবার মনেও হয়েছিল ম্যাচটা শেষ করতে পারব না। ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ানোটা আমি ঘৃণা করি।’

চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের পর নাদাল উইম্বলডনে এসেছেন তার বসন্তের সময়টা আরও বাড়িয়ে নিতে। আগের দুই ম্যাচে দারুণ ছন্দে থাকলেও কোয়ার্টার ফাইনালে সেটি ধরে রাখতে পারেননি। দ্বিতীয় সেটে ৩-৪ গেম অবস্হায় তাকে মেডিক্যাল ব্রেক নিতে হয়েছে। তলপেটে টেপ পেচিয়ে খেলায় ফিরে সেই সেট জিতলেও নাদালের চেনা রূপ দেখা যায়নি। ব্যথার কারণে সার্ভের গতিও হারিয়ে ফেলেন কিছুটা। কিন্তু লড়াইয়ের মানসিকতা নিয়ে বেঁচে থাকা নাদাল ম্যাচটিকে শেষ সেট পর্যন্ত নিয়ে যেতে সক্ষম হন। টাইব্রেকারে এসে ধরা দেন খুনে মেজাজে।

তবে সেমিফাইনাল খেলা হবে না নাদালের। চোটের সঙ্গে লড়াইয়ে আর টিকে থাকতে পারছেন না। মেডিক্যাল টেস্ট করার পর নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

ইত্তেফাক/টিএ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন