হাটে গরু থাকলেও ক্রেতা নেই, দুশ্চিন্তায় খামারিরা

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২২, ১৭:০৮

রাত পোহালেই ঈদ, অথচ সুনামগঞ্জে এখনো জমেনি পশুর হাটগুলো। হাট ভর্তি কোরবানির পশু থাকলেও ক্রেতার দেখা পাচ্ছেন না হাটে আসা স্থানীয় কৃষক ও খামারিরা।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, সুনামগঞ্জে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও বিক্রি হচ্ছে কম। এবার দাম নিয়ে ক্রেতাদের কোনো অভিযোগ নেই। মোটামুটি দামের মধ্যেই রয়েছে কোরবানির গরু। এবার জেলার ১১টি উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে শতাধিক পশুরহাট বসেছে। এসব হাটে স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের পালিত গরুই বেশি উঠেছে। তবে বন্যার প্রভাবে খামারি ও কোরবানি গরু পালনকারীরা রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। তারা মনে করছেন, কোরবানির গরু এবার কম দামে বিক্রি করতে হবে। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, চলতি বন্যায় ধকল এখনো পুরোপুরি সুনামগঞ্জের মানুষ কাটিয়ে উঠতে পারেনি।  যে গরু ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা, সে গরু এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ হাজার টাকায়। এছাড়া সম্প্রতি বন্যার প্রভাবে মানুষের মধ্যে নেই ঈদ ভাবনা।

গরু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে খামারিরা।

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের সরকারি জুবলী উচ্চ বিদ্যালয়ের পশুরহাট ঘুরে দেখা যায়, ছোট-বড় গরু ছাগলে ভরে উঠেছে হাট। কিন্তু হাটে পশু থাকলে নেই ক্রেতাদের ভিড়। কয়েকজন আসছেন দাম করছেন আবার চলে যাচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষক ও খামারিরা জানান, বন্যার কারণে সুনামগঞ্জে পশুর হাট জমে উঠেনি। অন্য বছর এই হাটে ক্রেতাদের ঢল নামতো। এই বছর ক্রেতার দেখা মিলছে না। যাও দুই একজন আসছেন তাদের সঙ্গে দামে পুষছে না। এখন গরু বিক্রি করতে পারবো কি না সেটা নিয়েও চরম দুশ্চিন্তায় আছি।

সুনামগঞ্জ সরকারি জুবলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ইজারাদার ওয়াসিম আহমদ বলছেন, হাটে পর্যাপ্ত পরিমাণে পশু থাকলেও ক্রেতার দেখা মিলছে না। সেই জন্য তাদের বড় অংকের লোকসান হতে পারে।

ক্রেতাশূন্য পশুরহাট।

হাটে গরু নিয়ে আসা আফজাল মিয়া জানান, অনেক কষ্ট করে সুনামগঞ্জের পশুরহাটে গরু নিয়ে এসেছি। কিন্তু এখনো গরু বিক্রি করতে পারেনি। ১ লাখ টাকার গরু মাত্র ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা দাম হচ্ছে।

সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, বন্যার কারণে এই বছর পশুরহাট তেমন একটা জমেনি। আমরা হাট কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছি। 

আর্থিক সহযোগিতা করছেন মেয়র।

বানভাসি ১ হাজার পরিবারকে সহযোগিতা করলেন মেয়র নাদের বখত

সুনামগঞ্জে বানভাসি ১ হাজার পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখতের সহযোগিতায় এই নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
অর্থ বিতরণ শেষে সুনামগঞ্জ পৌর সভার মেয়র নাদের বখত বলেন, সুনামগঞ্জে বানভাসি ১ হাজার মানুষকে আজকে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, ‘বন্যার শুরু থেকে আমি বানভাসি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি, তাদের সহযোগিতা করেছি। শুধু তাই নয় সুনামগঞ্জের যেকোনো দুর্দিন আমি তাদের পাশে থাকবো।’

ইত্তেফাক/ইউবি