বগুড়ার আদমদীঘিতে প্রচণ্ড খরায় মাঠ পুড়ে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। এদিকে দীর্ঘ দিন বৃষ্টি না হওয়ায় সময়মতো জমিতে হাল দিতে পারছেন না কৃষকেরা। দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। এমনকি রোদের তাপে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না কেউ। তীব্র তাপে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। খাঁ খাঁ করছে রাস্তাঘাটসহ ফসলি মাঠ।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় চলতি মৌসুমে ১২ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকরা জমিতে হাল চাষ করতে পারছেন না। তবে, কিছু এলাকায় নালা এবং পুকুরের পানি সেচ দিয়ে সামান্য পরিমাণ জমিতে ধান রোপণ শুরু হয়েছে। প্রতিবছর আষাঢ়ের ১৫ তারিখ থেকে জমিতে ধান রোপণ শুরু করতেন কৃষকরা। খরার কারণে চলতি সৌসুমে তা সম্ভব হয়নি।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টি না হওয়ায় ফসলি জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। খাঁ খাঁ করছে মাঠের পর মাঠ।
স্থানীয় কৃষক আব্দুল মালেক, আবুল কালাম আজাদসহ অনেকের সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, খরায় মাঠ পুড়ে চৌচির হয়েছে। জমিতে হাল দেওয়া যায়নি। বৃষ্টি হলে এত দিন জমি তৈরি করা হতো, সময়মতো রোপা আমন ধান রোপণ করা সম্ভব হতো।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মিঠু চন্দ্র অধিকারী বলেন, ‘প্রচণ্ড খরার কারণে কৃষকেরা মাঠে হাল চাষ করতে পারছেন না। বৃষ্টি হতে দেরি হলে গভীর নলকূপ ও পুকুর থেকে সেচ দিয়ে জমি তৈরি করে রোপা আপন ধান রোপণ করা যেতে পারে।’

