ঈদুল আজহা উদযাপন শেষে গত বুধবার থেকেই কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। আজ শুক্রবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাটে কর্মস্থলমুখী মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। গণপরিবহণের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি, মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় দৌলতদিয়া ঘাটে আসছে মানুষ। তবে কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই ঘাটে এসে সরাসরি লঞ্চ ও ফেরিতে উঠতে পারছেন যাত্রীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাটে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় রয়েছে। মানুষের চাপে ফেরিতে গাড়ি উঠাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চালকদের। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে যাত্রীর চাপ। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহন পারপারের জন্য ২১টি ফেরি থাকলেও পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে এই রুটে যানবাহনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় কয়েকটি ফেরি বসিয়ে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। অন্যদিকে ২২টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পারাপর করা হচ্ছে।
কর্মস্থলগামী যাত্রীরা জানান, এবারই প্রথম পরিবারের সঙ্গে ঈদ করে কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়া দৌলতদিয়া ঘাটে এসেছি। পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পেরে ভালো লেগেছে। কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকায় ফিরছি।
বাস চালকরা জানান, দৌলতদিয়া ঘাটে আগের মতো ভোগান্তি নেই। তবে ঈদফেরত যাত্রীদের চাপের কারণে ফেরিতে উঠতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটের ম্যানেজার সেলিম মিয়া বলেন, ‘ঈদ শেষে গত বুধবার থেকেই মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে। শুক্রবার সকাল থেকে যাত্রীদের কিছুটা চাপ দেখা যায়। দুপুরের পর থেকে যাত্রীদের চাপ একটু বেশি ছিল। এবার যাত্রীদের কোন প্রকার ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন বলেন, ‘দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ২১টি ফেরি থাকলেও পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে এই নৌরুটে যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা কমে যায়। এজন্য বর্তমানে ১৬ টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।’
