কাশ্মিরের ওপর চাপিয়ে দেওয়া নতুন কঠোর নীতিমালার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। অতিমাত্রায় বেকারত্ব, অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবের কারণে অন্যান্য বড় শহরগুলোতে অভিবাসন নিতে বাধ্য হচ্ছে কাশ্মিরের বাসিন্দারা।
এশিয়ান লাইট ইন্টারন্যাশনাল এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান সরকার তাদের অধিকৃত এই অঙ্গরাজ্যের মানুষদের বেঁচে থাকবার ন্যূনতম চাহিদার যোগান দিতে পারছেন না তারা।
এই রাজস্ব বছরের শুরুতে জম্মুকাশ্মিরের জন্য ১৩.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেট নির্ধারণ করে দিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লি থেকে জম্মুকাশ্মীরের প্রতি নির্ধারিত তহবিল, ইসলামাবাদ থেকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের প্রতি নির্ধারিত তহবিলের থেকে পাঁচগুণ বেশি।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫০তম সভায় জেনেভায়, ইউকেপিএনপি (ইউনাইটেড কাশ্মীর পিপলস ন্যাশনাল পার্টি)এর চেয়ারম্যান এবং মানবাধিকার কর্মী সরদার শওকত আলি কাশ্মীরি পাকিস্তানের কাশ্মীরের উপর চাপিয়ে দেয়া নীতিমালা এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে সীমাহীন মানবাধিকার লঙ্ঘন এসব তুলে ধরেন 'ব্রোকেন চেয়ার' ভাষ্কর্য এর সামনে।
তিনি বলেন "পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তানের হস্তক্ষেপের কোন অধিকার নেই। তারা অন্যায়ভাবে কাস্মীর, গিলগিট-বালতিস্তান দখল করেছে"।
এদিকে পাকিস্তান তার নিজ দেশে মুজাফফরবাদে র্যালি ঠেকাতে আপ্রান চেষ্টা চালাচ্ছে। এশিয়ান লাইট ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্ট অনুযায়ী বিদ্রোহী জনতাদের শান্ত করার জন্য আর্মির হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছে পাকিস্তান।
রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশব্যাপী পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের বহিরাগত, দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক এর মত আচরন করছে।
