ফিফার অর্থায়নে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং এলাকায় ২০ একর জমির ওপর নির্মাণ করা হবে ফিফার টেকনিক্যাল সেন্টার। এরই মধ্যে সরকার থেকে জমি বরাদ্দ পেয়ে অন্যান্য প্রস্ত্ততির কাজও সম্পন্ন করেছে বাফুফে। এই জমি বন বিভাগ থেকে ডি-রিজার্ভ করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরিবেশবাদীরা বনভূমি রক্ষার দাবি জানিয়ে গতকাল রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। বাফুফে এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগকে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে বলেন, ‘নো কমেন্টস।’
গত ৪ জুলাই খুনিয়াপালংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জমির বরাদ্দ বুঝিয়ে দেওয়া হয় বাফুফের হাতে। যেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য সায়মুম সরোয়ার কমল, জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ, বিভাগীয় বন বিভাগের কর্মকর্তা সারোয়ার আলম, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কে এম আলী রেজা, রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা, ফিফার আঞ্চলিক প্রতিনিধি প্রিন্স রুফুস, বাফুফের সদস্য বিজন বড়ুয়া সহ স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কক্সবাজার ডিএফএর সভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী, খুনিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল হক কোম্পানি, যুবলীগ নেতা আবদুল মাবুদ, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাফুফের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্হিত ছিলেন। এরই মধ্যে বাফুফে সরকারের জমি বরাদ্দের কাগজপত্র ফিফার অফিসেও পাঠিয়ে দিয়েছে পরিবর্তী পদক্ষেপের জন্য।
আবু নাইম সোহাগ জানিয়েছেন, আমরা টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে জমি চেয়েছিলাম। সরকার আমাদেরকে জমি বরাদ্দ দিয়েছে। ফিফা নিজেরাই সব কাজ করে দেবে।’ এই প্রকল্পের জন্য ফিফা পালাক্রমে ৩৫ কোটি টাকা খরচ করবে।
