পাকিস্তানের পাঞ্জাবে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক মার্কিন নারী। গত সপ্তাহে দুই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় পাকিস্তান প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেছেন নেটিজেনরা।
ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তভূগী ২১ বছরের ওই মার্কিন নারী একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটিভিস্ট এবং ভ্লগার। নেটমাধ্যমে তার ধর্ষণের খবর প্রচার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নেটিজেনরা তীব্র সমালোচনা শুরু করেন। তাদের অনেকের মতে, পাকিস্তানিরা নিজ দেশেই যেখানে নিরাপদে নেই, সেখানে একজন বিদেশী কীভাবে নিরাপত্তা পাবে।
একজন টুইটে বলেন, সে (মার্কিন নারী) যেই ঘটনার সাক্ষী হয়েছে তা সত্যিই লজ্জাজনক। আমরা ইতোমধ্যে পর্যটনে ৮৩তম এবং পর্যটক নিরাপত্তা সমীক্ষায় ২৬তম বিপজ্জনক রাষ্ট্র। যারা এই ঘটনায় দোষী তাদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সমাজকে এসব ঘৃণ্য কাজ পরিত্যাগ করতে হবে।
আরেক টুইটে একজন লেখেন, জাতি হিসেবে আমরা কোথায় যাচ্ছি জানা নেই। আমরা নতুন প্রজন্মকে নারীদের সম্মান করা শিখাতে পারিনি। আমরা আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। অথচ আমাদের রাজনৈতিক নেতারা ব্যস্ত অন্য কিছু নিয়ে।
পাকিস্তান পুলিশ জানায়, টুরিস্ট ভিসায় ওই নারী পাকিস্তানে আসেন। তিনি গত ৭ মাস ধরে এখানেই বাস করছেন। গত ১৭ জুলাই রাতে একটি হোটেল কক্ষে তিনি ধর্ষণের শিকার হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপ পুলিশ কমিশনার দেরা গাজি খান আনওয়ার বারইয়ার বলেন, নেট মাধ্যমের বন্ধু মুজমাল শিপরার আমন্ত্রণে ওই মার্কিন নারী করাচি থেকে ফোর্ট মোনরো হোটেলে আসেন তিনি। পরে ওই হোটেল কক্ষেই ধর্ষণের শিকার হন তিনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
