বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

জনগণের সঙ্গে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করে নির্বাচনে জয়ী হতে হবে: কাদের

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২২, ২০:৩০

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নেতার সঙ্গে কর্মীর এবং কর্মীর সঙ্গে জনগণের সেতুবন্ধন সৃষ্টি করে আগামী জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিজয়ী হতে হবে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বিকেলে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের অন্তর্গত বিমানবন্দর থানার বিভিন্ন ইউনিট ও ওয়ার্ডের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে নিজের বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের জন্য নয়, জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে রাজনীতি করে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের বেশিদিন নেই, তাই এখন থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।

রাজপথে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নিতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে হবে, তাহলে আওয়ামী লীগের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা বিদ্যুতের পরিবর্তে খাম্বা দিয়েছিল তাদের মুখে বিদ্যুতের বিষয়ে কথা বলা মানায় না।

সংখ্যালঘু নির্যাতনের রেকর্ড এ দেশে একমাত্র বিএনপির এমন দাবি করে তিনি বলেন, বিএনপির শাসনামলে তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর যে হামলা, নির্যাতন চালিয়েছিল তার নজির এখন আর নেই। বর্তমান সরকারের শাসনামলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা নিরাপদ নয়, বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য শুনলে মনে হয়— ‘বানরে সংগীত গায়, শিলা জলে ভাসে’।

প্রতিদিন কোনো না কোনো বিষয়ে মিথ্যাচার করা বিএনপির অভ্যাসে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনারা দেশের জন্য কি উন্নয়ন করেছেন, যার জন্য জনগণের কাছে ভোট চাইবেন।

তিনি বলেন, মানুষ উন্নয়ন ও কাজ চায়, শেখ হাসিনা উন্নয়ন ও কাজ করে যাচ্ছে— তাই জনগণ শেখ হাসিনার ওপর খুশি, এতেই বিএনপির মন খারাপ।

উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এমএএম