শনিবার, ২০ আগস্ট ২০২২, ৪ ভাদ্র ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

রেলক্রসিংয়ে আড়াই বছরে ২১৯ প্রাণহানি

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২২, ১৮:২৬

২০২০ থেকে ২০২২ সালের ২৮ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশের রেলক্রসিংসমূহে ১১৬টি দুর্ঘটনায় ২১৯ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। পরিসংখ্যানের পাশাপাশি দুর্ঘটনা এড়াতে বেশ কিছু সুপারিশও করেছে সংগঠনটি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে ৩৮ দুর্ঘটনায় ৬৯ জন, ২০২১ সালে ৪৩ দুর্ঘটনায় ৭৬ জন, ২০২২ সালের ২৮ জুলাই পর্যন্ত ৩৫ দুর্ঘটনায় ৭৪ জন মারা যান।

সবশেষ শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে রেলক্রসিংয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে রেলক্রসিং দুর্ঘটনার কারণসমূহও চিহ্নিত করা হয়।

কারণসমূহ হলো- অননুমোদিত ও অবৈধ বিবেচনা করে বহু সংখ্যক রেলক্রসিংয়ে গেটম্যান ও গেটবারের ব্যবস্থা না করা, বৈধ রেলক্রসিংসমূহে গেটম্যানদের দায়িত্বে অবহেলা ও গেটম্যান হিসেবে লোকবলের সংকট, যানবাহনের চালক ও সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে অসচেতনতা ও অধৈর্য মানসিকতা, দুর্ঘটনায় দায়ীদের উপযুক্ত শাস্তি না হওয়া ও রেলপথ ব্যবস্থাপনায় আইনের শাসনের অভাব।

রেলক্রসিং দুর্ঘটনা এড়াতে সুপারিশসমূহ-

সব রেলক্রসিংয়ে গেটম্যান নিয়োগ ও উপযুক্ত গেটবারের ব্যবস্থা করা, রেলক্রসিংয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার করা, জনবল সংকট নিরসন করে রেলপথ ব্যবস্থাপনায় সুশাসন নিশ্চিত করা, সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমে প্রচারণা চালানো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের দুই হাজার ৯৫৯ কিলোমিটার রেলপথে দুই হাজার ৮৫৬টি রেলক্রসিং আছে। এর মধ্যে এক হাজার ৪৯৫টি বৈধ ও এক হাজার ৩৬১টি অবৈধ। ৯৬১টি রেলক্রসিংয়ে কোনো গেটম্যান নেই। দেশে ৮২ শতাংশ রেলক্রসিং অনিরাপদ।
প্রতিবেদনে শুধুমাত্র রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে রেলট্র্যাকে বহু দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে সেগুলো এ হিসাবে যুক্ত করা হয়নি বলে জানানো হয়।  

ইত্তেফাক/এনএ

ইত্তেফাক/এনএ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন