আল-কায়েদা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির মৃত্যুর পর বিশ্বব্যাপী সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইদেন বলেছেন যে, মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী আয়মান আল-জাওয়াহিরি কাবুলে একটি ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন। এতে ন্যায়বিচার হয়েছে।
গত ৩১ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে একটি নির্ভুল সন্ত্রাসবিরোধী হামলা চালায় যাতে আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়। তিনি ওসামা বিন লাদেনের সহকারী ও উত্তরাধিকারী ছিলেন। টুইন টাওয়ার হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন আল-জাওয়াহিরি।
ধারণা করা হচ্ছে, আল-জাওয়াহিরির মৃত্যুর পরে, আল-কায়েদার সমর্থকরা, বা এর সহযোগী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো মার্কিন স্থাপনা, কর্মী বা নাগরিকদের উপর আক্রমণ করার চেষ্টা করতে পারে। যেহেতু সন্ত্রাসী হামলা প্রায়ই সতর্কতা ছাড়াই ঘটে থাকে, তাই মার্কিন নাগরিকদের উচ্চ স্তরের সতর্কতা বজায় রাখতে এবং বিদেশ ভ্রমণের সময় পরিস্থিতিগত সচেতনতা অনুশীলন করার জন্য জোরালোভাবে উত্সাহিত করা হচ্ছে।
জাওয়াহিরি, একজন মিশরীয় সার্জন, টুইন টাওয়ার হামলা পরিকল্পনার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি ওসামা বিন লাদেনের ব্যক্তিগত চিকিত্সক হিসাবেও কাজ করেছিলেন।
তাকে হত্যার হামলাটি সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল। একটি বিমান বাহিনীর ড্রোন দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল। একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন যে, আল-জাওয়াহিরি এই হামলায় নিহত হয়েছেন এবং তার পরিবারের কেউ আহত হয়নি।
এদিকে, আফগানিস্তানের ক্ষমতাশীন তালেবান জাওয়াহিরিকে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং সপ্তাহান্তে কাবুলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত ড্রোন হামলার নিন্দা জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন যে, রাজধানীর একটি বাসভবনে হামলা হয়েছে এবং এটিকে আন্তর্জাতিক নীতি লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন তিনি।
