চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক। ক্যারিয়ারে বেশকিছু ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। চলতি মাসে শুরু করতে যাচ্ছেন নতুন সিনেমার শুটিং। পাশাপাশি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার বেশ কয়েকটি সিনেমা। সার্বিক এই বিষয়গুলো নিয়ে তিনি কথা বললেন ইত্তেফাকের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ এম রুবেল
বর্তমান কাজের ব্যস্ততা নিয়ে জানতে চাই
নতুন সিনেমার খবর আগামী সপ্তাহে দিতে পারব। খুবই ভালো একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হচ্ছি। সেটা জন্যই দীর্ঘদিন ধরে নিজের লুক পরিবর্তন করছি। এর বাইরে ‘লাইভ’, ‘নরসুন্দরী’, ‘বাহাদুরী’, নদীর বুকে চাঁদ’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘অশ্রু ঘর’, ‘গ্যাংস্টার’সহ বেশকিছু সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
এতগুলো সিনেমার কাজ শেষ হলেও প্রেক্ষাগৃহে সাইমন নেই কেন?
আমি তো চাই আমার সিনেমাগুলো একে একে হলে আসুক। কিন্তু কেন মুক্তি পাচ্ছে না সেটা বলতে পারছি না।
শিল্পী সমিতির নির্বাচনের আগে আপনি অভিনয় নিয়ে দারুণ ব্যস্ত ছিলেন, কিন্তু বর্তমানে সেই দৃশ্যটা চোখে পড়ছে না। এর কারণ কী?
হ্যাঁ, এটা সত্য যে, একটু কম কাজ করা হচ্ছে। ‘মায়া’, ‘হাহাকার’সহ কয়েকটি সিনেমার কাজ শুরু করার কথা ছিল। আমি সাইন করেছি, প্রস্ত্ততিও নিয়েছিলাম। কিন্তু অনেক শিল্পীর শিডিউল জটিলতায় শুটিং শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে আশা করছি, চলতি মাসে নতুন সিনেমার শুটিং দিয়ে আবারও সরব হতে পারব।
সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রগুলো আশার আলো দেখাচ্ছে। আপনি কেমন দেখছেন?
অবশ্যই, আমাদের চলচ্চিত্রে সুবাতাস বইছে। গত রোজার ঈদের সময় থেকে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রগুলো থেকে ভালো একটা অবস্থা তৈরি হয়েছে। আর সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘দিন: দ্য ডে’, ‘পরাণ’, ‘হাওয়া’ সিনেমাগুলোর অবস্থা তো আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি। এর মূল কারণ কিন্তু ভালো কন্টেন্ট। পাশাপাশি প্রযোজক-পরিচালকরা দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে এবং বোঝাতে পেরেছেন যে, একটি ভালো কন্টেন্ট আসছে। দর্শক হলমুখী হয়েছে। তবে পরবর্তীতে কোনো প্রযোজক যদি এই কাজটি করতে না পারেন তাহলে যত ভালো গল্পই হোক দর্শক হলে আসবে না। কারণ ভালো গল্পের পাশাপাশি প্রচারণাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অনেকেই বলছেন, দেশীয় গল্পের দিকে দর্শক ঝুঁকছেন। কথাটি কতটা যুক্তিযুক্ত মনে করছেন?
দেখুন, দেশীয় গল্পের দর্শক আমাদের সবসময়ই ছিল। নিজেদের গল্পটি ঠিকঠাকভাবে উপস্থাপন এবং দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে দর্শকরা হতাশ করেন না।
শিল্পী সমিতির গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্বে আছেন। এদিকে সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে জটিলতা থাকায় অনেকেই বলছেন, সেই দায়িত্বটি আপনি পালন করছেন। বিষয়টির সত্যতা কতটুকু?
না, না। আমি কেন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করব। এই পদে নিপুণ আপা আছে, উনিই পালন করছেন। আমরা সবাই সাথে আছি এবং সমিতির সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলছে।
