কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় চার জেএমবিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অপর একটি হত্যা মামলায় চাচা-ভাতিজাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ দুটি হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।
এর মধ্যে হোমিও চিকিৎসক সানাউর রহমান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চার জেএমবি সদস্য হলো- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগর এলাকার মজিবুর রহমানের পুত্র আজিজুর ইসলাম, কুবুরহাট দোস্তপাড়ার সামাদ সর্দারের ছেলে জয়নাল সর্দার, মাদ্রাসাপাড়ার আজিজুল হক খানের ছেলে সাইফুল ইসলাম খান ও জেলার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আব্দুর রহমান ওরফে কালা কাজীর ছেলে সাইজুদ্দিন কাজী।
২০১৬ সালের ২০ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়ার মজমপুর এলাকার মৃত বজলুর রহমানের পুত্র হোমিও চিকিৎসক সানাউর রহমানকে আসামিরা কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় সানাউরের ভাই আনিছুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা করেন।
অপরদিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ব্যবসায়ী রিয়াজুল ইসলাম হত্যা মামলায় চাচা ওয়াসিম আলী ও ভাতিজা সিফাত বিশ্বাসকে যাবজ্জীবন কারা দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। এ মামলার অপর ৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদের বেকসুর খালাস দেন।
২০১৭ সালের ২৩ এপ্রিল কুমারখালী উপজেলার বাড়াদি গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে ব্যবসায়ী রিয়াজুলকে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শহিদুল ইসলাম কুমারখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।

সরকারি ওষুধ বিক্রি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড