শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২২, ১২:৪৮

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর সদরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আব্দুল আজিজ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

১৯৬৯ সালে এ বিদ্যালয়টি সরাসরি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সে থেকে হাঁটি হাঁটি পায়ে এগিয়ে চলছে বিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম। ইতোমধ্যে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য আ্যাড. আমিরুল আলম মিলনের সহযোগিতায় ৪ তলা ভবনের অনুমোদন হয়। সয়েল সেন্ট হয়েছে অনেক আগে। কিন্তু নির্মাণের দীর্ঘসূত্রিকার কারণে যেমন জরাজীর্ণ প্রতিষ্ঠানটির ভোগান্তি, অন্যদিকে মাঠে স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে মাঠ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার করলে পড়েছে মাঠটি। পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীরা মাঠে অ্যাসেম্বলি করতে পারছেন না। ফলে তাদের বিদ্যালয়ের বারান্দায় অ্যাসেম্বলি করতে হয়। টিফিন চলাকালীন মাঠে খেলাধুলার কোনো সুযোগ নেই। হাটু পানি পেরিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যেতে হয় বাথরুমে। মাঝে মাঝে অবিরাম বর্ষণে মাঠ উপড়ে শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে যায়। তখন বাধ্য হয়ে ছুটির ঘণ্টা বাজাতে হয়।

দশম শ্রেণির লাভলী আকতার, নবম শ্রেণির সুমাইয়া , সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী লামিয়া বলেন, তাদের হাটু পানি পেরিয়ে বাথরুমে যেতে হয়। মাঠে অ্যাসেম্বলি ও খেলাধুলা থেকে আমরা বঞ্চিত।

সহকারী শিক্ষক সুমনা রানী জানান, জলাবদ্ধতার কারণে তারা ওয়াশরুম ব্যবহার করতে পারছেন না।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন হেলাল বলেন, বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী বসবাসকারী কতিপয় পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আ্যাড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ভবন নির্মাণ ও বাউন্ডারি ওয়াল, জলাবদ্ধতা নিরসন ও শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় মাঠ ভরাট জরুরি। সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল হান্নান বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে শিগগিরই। সমস্যা সমাধান করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

ইত্তেফাক/মাহি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন