গাইবান্ধা, নরসিংদী ও বগুড়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিন জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গতকাল রবিবার নরসিংদীর পলাশে বাসের ধাক্কায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্ল্যান্ট অপারেটর ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পাওয়ার ট্রলি উলটে এর চালক নিহত হয়েছেন। এছাড়া বগুড়ার শেরপুরে শুক্রবার দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত দলিল লেখক গতকাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
পলাশ (নরসিংদী) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় কলেজ বাসের ধাক্কায় ইমরুল হক (৫০) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে পৌর এলাকার ঘোড়াশাল-পলাশ আঞ্চলিক সড়কের কো-অপারেটিভ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইমরুল কুমিল্লার দাউদকান্দির তালতলা গ্রামের আব্দুল রশিদ মিয়ার ছেলে। তিনি ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৭ নম্বর ইউনিটে প্ল্যান্ট অপারেটরের দায়িত্বে ছিলেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ঘাতক বাস ও চালককে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেয়।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত পাওয়ার ট্রলি উলটে চালক বাবু মিয়া (৩০) নিহত হয়েছেন। সকালে গোবিন্দগঞ্জ-মহিমাগঞ্জ সড়কের সোনারপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাবু মিয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শহরের মাগুড়া সোনারপাড়া এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে।
শেরপুর (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, শুক্রবার বিকালে উপজেলার সুঘাট ফকিরপাড়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে কোরবান আলী (৪৫) নামের এক দলিল লেখকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার ভোরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুই মোটরসাইকেল আরোহী। নিহত কোরবান আলী উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের হলদিবাড়ী গ্রামের হারেজ উদ্দীনের ছেলে। এছাড়া দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন—একই এলাকার রাফী হায়দার আলী ও মো. জিন্নাহ মিয়া।
