যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে আর্টেমিস-ওয়ান মিশন। সোমবার (২৯ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৩ মিনিটে যাত্রা শুরু করবে মহাকাশযানটি। ইউএস ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নাসা) সৌজন্যে ইউটিউবে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে লঞ্চের জন্য একটি লাইভস্ট্রিম শুরু হবে। কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
মানুষকে নিয়ে প্রথম মহাকাশযান অ্যাপোলো-১১ চাঁদে অবতরণ করেছিল ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই। আর শেষটি ছিল অ্যাপোলো-১৭ ১৯৭২-এর ১১ ডিসেম্বর। এখন আবার সেখানে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে নাসা।
এই আর্টমিস মিশনের উদ্দেশ্য হলো এটি নাসাকে চাঁদে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে সক্ষম করবে, যা ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহে অনুসন্ধানের পথ তৈরি করবে। এই মিশনের তিনটি পর্যায় রয়েছে। সেগুলো হল আর্টমিস ১, ২ এবং ৩।
নাসার বিশাল এসএলএস রকেট ও ওরিয়ন স্পেস ক্যাপসুল মহাকাশচারীদের চাঁদের কক্ষপথে নিয়ে যাবে। সেখান থেকে স্পেস-এক্স নিউম্যান ল্যান্ডার সিস্টেম নভোশ্চরদের চাঁদের বরফের দক্ষিণ মেরুতে নিয়ে যাবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্টমিস ওয়ান হলো একটি মানুষবিহীন ক্যাপসুল। আর্টমিস ওয়ান সফল হলে তা এসএলএস ও ওরিয়নকে অন্য দুটি আর্টমিস মিশনে পাঠানো হবে।
আর্টমিস ওয়ান-এর সময়কাল ৪২ দিন, তিন ঘণ্টা ২০ মিনিট। ওরিয়ন রকেট পৃথিবী থেকে আনুমানিক ৪ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার দূরে ও চাঁদের থেকে ৬৪ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকবে। মহাকাশযানটি কোনো স্পেস স্টেশনে সংযুক্ত না হলেও যেকোনো মানব মহাকাশযানের থেকে বেশি সময় ধরে মহাকাশে থাকবে।
আর্টমিস ওয়ান গভীর মহাকাশে মানুষের অন্বেষণের মঞ্চ তৈরি করবে। মহাকাশযানটি পৃথিবীতে নিরাপদে ফিরে আসার মাধ্যমে ওরিয়নের ক্ষমতার পরীক্ষা দেবে। মহাকাশযানটি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৪০ হাজার কিলোমিটার বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে।
