চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীরা ‘গল্প বলার স্বাধীনতা চাই’ শীর্ষক যে আন্দোলন শুরু করেছেন তার সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ। বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আহকাম উল্লাহ্ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের আবৃত্তি সংগঠনগুলোর এই ফেডারেশন মনে করে, শিল্পচর্চা ও সৃষ্টিশীলতার স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অংশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের যে সংবিধান প্রণয়ন করেন, সেই মহান সংবিধান মতপ্রকাশের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দিয়েছে।
শিল্পীরা নান্দনিক সৃজনশীলতায় তাদের মতপ্রকাশই করে থাকেন। আর মানবিকতার মূলসুরটিই তাদের শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে ধ্বনিত হয়। এই প্রেক্ষাপটে ‘গল্পবলার স্বাধীনতা চাই’ আন্দোলনের দাবিগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন চায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ।
এদিকে ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার; ‘শনিবার বিকেল’ চলচ্চিত্র কেন সেন্সর ছাড়পত্র পেল না তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়াসহ দাবিগুলো ৩১শে আগস্টের মধ্যে বাস্তবায়ন করা না হলে দেশজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচী শুরু করা হবে বলেও ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ।
