ফুলবাড়ীতে বেড়েছে বেগুনের দাম

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৫৩

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দুইদিনের ব্যবধানে বেগুনের দাম প্রতিকেজিতে বেড়েছে ১৬ থেকে ১৭ টাকা। দু’দিন আগেও প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৩২ কেজিদরে। স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়িদের দাবি, বাজারে বেগুনের আমদানি কম হওয়ায় দাম একটু বেড়েছে। আমদানি স্বভাবিক হলে দামও কমে আসবে।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ফুলবাড়ী পৌরশহরের সবজি বাজারে বাজার করতে আসা মুকুল সরকার বলেন, কিছুদিন ধরে সবজির দাম কমতির দিকে থাকলেও আজ বাজারে এসে দেখি দুইদিনের ব্যবধানেই বেগুনের দাম প্রকারভেদে ১৭ টাকা বেড়ে গেছে। দুইদিন আগে যে বেগুন ৩০ টাকা কেজিতে পাওয়া গেছে একই বেগুন কিনতে হয়েছে ৪৭ টাকা কেজিদরে। সবজির দাম এভাবে ওঠানামা করলে সাধারণ মানুষের জন্য বেশ কষ্ট হয়ে যায়।

ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ি সোহাগ হোসেন বলেন, দুই-একটির দাম কমলেও দিন দিন সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। এতে নিত্যপণ্য কেনা সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। বাজারে পর্যাপ্ত সবজি থাকলেও দাম বাড়ছে, এটা আসলে ব্যবসায়ীদের কারসাজি। স্থানীয় ব্যবসায়িরাই সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দিয়ে ফায়দা লুটছেন।

ফুলবাড়ী বাজারের খুচরা সবজি ব্যবসায়ী শাহজামাল হোসেন বলেন, পাইকারি বাজারে বেগুনের দাম বাড়ার কারণে খুচরা বাজারেও দাম বেড়েছে। তবে দাম বাড়ার জন্য বেচাবিক্রি কমে গেছে। 

পাইকারি বেগুন বিক্রেতার ইয়াকুব আলী বলেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ছাড়াও হাটবাজারে সাধারণত জয়পুরহাট, বিরামপুর, পাঁচবিবি, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও, নীলফামারীসহ আশপাশের বিভিন্ন মোকাম থেকে সবজি কিনে এনে ফুলবাড়ীতে বিক্রি করতে হচ্ছে। আমদানি স্বাভাবিক থাকায় গত কয়েকদিন বেগুনের দাম কমতির দিকে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টিপাতের কারণে বেগুন ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে। এতে বাজারে বেগুনের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়তির দিকে চলে গেছে। তিনি দাবি করেন, কাঁচামাল নিয়ে কোনও সিন্ডিকেট বা কারসাজি নেই। আমদানি কম হলে দাম বাড়ে, আর আমদানি স্বাভাবিক থাকলে দাম কমে আসে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাজার মনিটরিং কমিটির সভাপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। কেউ সিন্ডিকেট কিংবা কারসাজি করে সবজির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেন তবে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ইত্তেফাক/এআই