শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বিমান জাদুঘরে সাংবাদিকতার ব্যবহারিক ক্লাস

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২৩:১৬

‘পাঠ থেকে মাঠে’ স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ বিমান জাদুঘরে সাংবাদিকতার ব্যবহারিক ক্লাস (ফিল্ড ট্রিপ) করেছেন রাজধানীর গ্রিন বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া কমিউনিকেশন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিভাগর প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে এ ক্লাস নেন শিক্ষক সরোজ মেহেদী (মো. মেহেদী হাসান)।

এসময় ক্লাস কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পুরো জাদুঘর ঘুরে দেখেন শিক্ষার্থীরা। পরিদর্শনের ওপর প্রতিবেদন তৈরির জন্য তথ্য-উপাত্ত, ফটো, ফুটেজ সংগ্রহ করেন তারা। জাদুঘরের সুবিধা ও সমস্যাগুলো নিয়ে দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ইন্টারভিউ নেন শিক্ষার্থীরা। ফিল্ড ট্রিপের অংশ হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষার্থী একটি করে প্রতিবেদন বা ফিচার লেখবেন। এদের মধ্য থেকে সেরা ৩ জন নির্বাচিত করে পুরস্কৃত করা হবে।

এবিষয়ে দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ বলেন, ‌‘এখানে আসতে পেরে আমাদের অনেক অনেক ভালো লাগছে। আমরা এর আগে ক্লাসে পড়েছি সংবাদ কী, কিভাবে সংবাদ লিখতে হয়, সোর্স মানে কী। আর আজ আমরা হাতে-কলমে সেসব করছি। এজন্য স্যারকে ধন্যবাদ। আশা করি, এমন ক্লাস আগামীতে আরও হবে। তাহলে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারবো। নিজেদের সাংবাদিকতার প্রকৃত যোগ্য শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।’  

প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী সানজানা ঢালী বলেন, ‘একটা প্যাশন থেকে সাংবাদিকতা পড়তে এসেছি। আমি সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসেবে নিতে চাই। স্যারের এমন উদ্যোগ আমাদের যোগ্য করে তুলবে। আমি আমাদের বিভাগ, চেয়ারপার্সন এবং স্যারকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি এ ধারা অব্যাহত থাকবে।’

বিকাল ৩টায় শুরু হয়ে ফিল্ড ট্রিপ সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হয়। ততক্ষণে আকাশে মেঘের ঘনঘটা। শিক্ষার্থীরা যে যার মতো বাড়ি ফিরে যান। তাদের চোখে-মুখে ক্লান্তি আর মনে প্রশান্তি ছিল তখন। এ তৃপ্তি হাতে-কলমে সাংবাদিকতা শিখতে পারার। ফলে ক্লান্ত শরীরে কিন্তু আনন্দ মনে বাড়ি ফেরেন তারা।

ফিল্ড ট্রিপ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া কমিউনিকেশন বিভাগের শিক্ষক সরোজ মেহেদী বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যে কথা আমরা বলছি তার জন্য যোগ্য গ্র্যাজুয়েট গড়ে তুলতে কাজ করছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যেই ক্লাসে শেখার পাশাপাশি মাঠের শেখায়ও সমানভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে। ফলে সমন্বয় হচ্ছে জ্ঞান ও দক্ষতার। আজ আমরা একটি সূচনা করলাম, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

ইত্তেফাক/এইচএম