প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষযাত্রায় অংশ নিলেন তার চার সন্তান। স্কটল্যান্ডের হলিরুডহাউজ প্রাসাদ থেকে রানির কফিন সেন্ট জাইলস ক্যাথেড্রালে নেওয়ার সময় ভিড় করেন লাখ লাখ মানুষ। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধার জন্য সেখানে রাখা হয় রানির মরদেহ।
রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে সোমবার বিকালে স্কটল্যান্ডের এডিনবরার হলিরুডহাউজ প্রাসাদ থেকে প্রয়াত দ্বিতীয় এলিজাবেথের কফিন নেওয়া হয় জেন্টস জাইল ক্যাথেড্রালে। এ সময় কফিনের পাশে ছিলেন রানির চার সন্তান রাজা তৃতীয় চার্লস, প্রিন্সেস অ্যানা, প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং প্রিন্স অ্যাডওয়ার্ড। প্রিয় রানির কফিন এক নজর দেখতে রাস্তার দুপাশে ভিড় করেন লাখো জনতা। অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ বিদায় জানান তারা। আত্মার শান্তি কামনায় সেন্ট জাইল ক্যাথেড্রালে আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রার্থনা। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সেখানেই রাখা হয় মরদেহ।
স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর ২টা নাগাদ এডিনবরা পৌঁছায় ব্রিটেনের রাজার বিমান। সেখানে তৃতীয় চার্লস ও তার স্ত্রী কুইন কনসর্ট ক্যামিলাকে স্বাগত জানাতে ভিড় জমায় কয়েক হাজার মানুষ। শতাব্দী প্রাচীন হলিরুডহাউজ প্রাসাদের বাইরে দাঁড়ানো সেই জমায়েতের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটান চার্লস-ক্যামিলা। তার পরে প্রাসাদের ভেতরে এডিনবরা শহরের চাবি তুলে দেওয়া হয় রাজার হাতে। এডিনবরা ছাড়ার আগে রাজা সেই চাবি ফেরত দিয়ে যাবেন। স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজিয়নের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় রাজা তৃতীয় চার্লসের। এরপর রানির শেষযাত্রায় শামিল হন তার চার সন্তান। তিন ছেলে ও এক মেয়ে। এডিনবরা থেকে গতকাল মঙ্গলবার রানির মরদেহ আকাশপথে লন্ডনের বাকিংহাম প্যালেসে নেওয়ার কথা। এরপর আজ বুধবার মরদেহ নেওয়া হবে ওয়েস্টমিনস্টার হলে। সেখানে চার দিন রাখা হবে তার মরদেহ। সাধারণ মানুষের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ক্যাথিড্রালের দরজা। —বিবিসি
