রোববার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ১৭ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

সড়কের পাশে ময়লার স্তুপ, দুর্ভোগে পথচারীরা 

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৮:০৯

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা হ্নীলা বাজারের হাইওয়ে সড়কের পাশে যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। এই ময়লা-আর্বজনার দুর্গন্ধে আশপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এতে পথচারীদের পড়তে হচ্ছে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কক্সবাজার-টেকনাফ হাইওয়ে সড়কের সাথে হ্নীলা বাজার ও হ্নীলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। সড়কের দুপাশে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তুপ থেকে আসা দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর, নোংরা পরিবেশের মধ্যে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারীরা। 

আবুল কালাম (৪০) নামে এক পথচারী বলেন, হ্নীলা বাজার এলাকায় নির্ধারিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার কোন ডাম্পিং স্পট না থাকায় এবং সড়কের দু’পাশে ময়লা-আবর্জনা রাখার কারণে তাদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

হ্নীলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তছলিমা জান্নাত বলেন, সড়কের পাশে অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে তুলা ময়লা-আবর্জনার স্তুপের দুর্গন্ধে সড়কের পাশ দিয়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বছরের পর বছর দেখা যায় এই সম্যসা। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা হ্নীলা বাজারে ময়লা-আর্বজনা গুলো সড়কে পাশে ফেলে চলে যায়।

হ্নীলা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক জহির আহমদ বলেন, সড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনা রাখা এটা মোটেও কাম্য নয়, তবে হ্নীলা বাজারে নির্ধারিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার ডাম্পিং স্পট থাকলে এই সমস্যা সৃষ্টি হত না। ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য একটি ডাম্পিং স্পট তৈরি করা দরকার। কিন্তু এটি তৈরি করার মত টাকা আমাদের হাতে নাই। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি ডাম্পিং স্পট তৈরি করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই।  

হ্নীলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বিভিন্ন বাসা বাড়ি ও হ্নীলা বাজারের ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে ভ্যানের মাধ্যমে এনে সড়কের পাশে রাখে। বিদ্যালয়টি হাইওয়ে সড়কের পাশে হ্নীলা বাজারের কাছাকাছি হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে চমর দুর্ভোগে পড়তে হয়। তাছাড়া বৃষ্টি হলে সেখানে পানি জমে ময়লা গুলো বিদ্যালয় এলাকায় ঢুকে পড়ে।

এ বিষয়ে হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেন, হাইওয়ে সড়কের পাশে যত্রতত্র ভাবে ফেলানো ময়লা-আবর্জনায় এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এর আগেও আমি ময়লা-আবর্জনা সরানো ব্যবস্থা করেছিলাম। এখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলার মত তেমন কোন জায়গা না থাকায় এই সম্যসা সৃষ্টি হচ্ছে এবং যত দ্রুত সম্ভব ময়লা সরানোর ব্যবস্থা করছি। 

টেকনাফ উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. এরফানুল হক চৌধুরী বলেন, এ সম্যসার ক্ষেত্রে বাজারের লোকজনদের সচেতন হতে হবে। আর যেখানে সেখানে যত্রতত্র ভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে। এখন যে ময়লা-আবর্জনা রয়েছে তা সরানো ব্যবস্থা করা হবে।

ইত্তেফাক/এআই