ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরে এবছর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অভিযান ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এ পর্যন্ত অন্তত ১০০ জন ফিলিস্তিন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন তথ্য সংকলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানায় বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (১ অক্টোবর) পূর্ব জেরুজালেমে ১৮ বছরের এক তরুণকে গুলি করে হত্যার পর এই সংখ্যা ১০০তে পৌঁছায়। এর আগের সপ্তাহে ইসরায়েলি বাহিনী জেনিন শহরের একটি বাড়ি লক্ষ্য করে ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল বলে খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেই হামলায় একজন বন্দুকধারী এবং আরও তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
২০১৫ সালের পর ২০২২ হতে যাচ্ছে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনদের জন্য সবচেয়ে রক্তাক্ত একটি বছর। বেশিরভাগ ফিলিস্তিনকে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী গুলি করে হত্যা করেছে। অন্য কিছু ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে সশস্ত্র বেসামরিক ইসরায়েলিরা।
নিহতদের প্রায় এক পঞ্চমাংশ হচ্ছে শিশু। এ নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নিহত একজনের বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। যারা নিহত হয়েছেন তাদের মধ্যে আছেন ফিলিস্তিনি চরমপন্থি সংগঠনের বন্দুকধারী থেকে শুরু করে অনেক কিশোর এবং তরুণ। তারা পাথর বা পেট্রোল বোমা ছুঁড়েছিল বলে অভিযোগ আছে।
এছাড়াও আছে অনেক নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষ বা পথচারী, বিক্ষোভকারী এবং ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কর্মী। ইসরায়েলি সেনা বা বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে ছুরি বা অন্য কোন অস্ত্র দিয়ে কথিত হামলার সময়ও নিহত হয়েছেন কয়েকজন।
বিগত বছরে আরব ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনরা বেশ কিছু মারাত্মক হামলা চালিয়েছিল। এই হামলায় ১৬ জন ইসরায়েলি এবং দুইজন বিদেশি নিহত হয়। এরপর থেকে ইসরায়েল প্রায় প্রতি রাতেই অধিকৃত পশ্চিম তীরে সামরিক অভিযান চালাতে শুরু করে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, তারা সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান হুমকিকে শক্ত হাতে দমন করবেন।
