দর্শকদের জন্যই আমরা কাজ করি: রাখি

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২২, ১৮:২৬

ছোটপর্দার তরুণ নির্মাতা হাসিব হোসাইন রাখি। অল্প বয়সেই ডিরেক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেছেন তিনি। এরই মধ্যে দেশের জনপ্রিয় তারকাদের নিয়ে কাজ করেছে উপহার দিয়েছেন দর্শকপ্রিয় নাটক। নিজের কাজ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন ইত্তেফাক অনলাইনের সঙ্গে।অব্দুল্লাহ জুবায়ের

অল্প বয়সেই ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছেন। শুরুর দিকে কাজ কি ধরনের কষ্ট করতে হত?

সব সফলতার পেছনে অনেক কষ্টের গল্প থাকে। যে কথাগুলো দুই একটা কথা বলে বুঝানো যায়না। তবে আমার মতে যে কেনো কিছু কষ্ট করে পাওয়াটা অনেক আনন্দের। এতে ভালো লাগাটা বেশি কাজ করে। আর একজন সফল ডিরেক্টর হবার এখনো অনেক পথ বাকি। 

ছোট্ট ক্যারিয়ারে দর্শকদের সুন্দর কিছু কাজ উপহার দিয়েছেন। এটা ভেবে কেমন লাগছে?

প্রথমে নিজের ভালো লাগার যায়গা থেকে কাজ করা শুরু করেছিলাম। কাজ শুরু করার পরে দেখলাম আমার কাজের সঙ্গে জড়িত আছে অগণিত দর্শকদের ভালোলাগা-না লাগার বিষয়। একটা কাজ করার পরে দর্শকদের মাধ্যমেই বোঝা যায় কাজটা কেমন হয়েছে। আর একটা কাজ বের হবার পরে যখন দর্শক খুব ভালোভাবে গ্রহণ করে তখন নিঃসন্দেহে একজন ডিরেক্টর হিসেবে আমারও ভালো লাগা কাজ করে। কারণ দর্শকদের জন্যই আমরা কাজ করে থাকি।

হাসিব হোসাইন রাখি

নতুন ডিরেক্টর হিসেবে ভালো আর্টিস্টদের ম্যানেজ করতে কোন সমস্যায় পরতে হয়েছে কখনো?

এখানে আমার তেমন কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে পরতে হয়নি। আমি যাদের সঙ্গে কাজ করছি তারা আমার আগে থেকেই পরিচিত। কারণ আমি সহকারী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। সবাই ভালোবেসে আমাকে কাজ করার সহযোগিতা করে আসছেন।

বাংলা সিনেমায় বইছে সুবাতাস। ফলে অনেকেই বলছেন, দর্শক হারাচ্ছে বাংলা নাটক। বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখছেন?

এটা মানুষের একদম ভুল ধারণা। নাটক আর সিনেমা দুইটা আলাদা প্ল্যাটফর্ম। একটার কারণে আরেকটার দর্শক হারানোর তো কোনো প্রশ্নই আসেনা। সিনেমা মানুষ হলে গিয়ে দেখে। আর নাটক দেখে মানুষ ফোনে। একটু অবসর টাইম পেলেই। আমার মনে হয়, নাটকের দর্শকদের প্রতিদিনের রুটিনে থাকে একটা করে বাংলা নাটক।

ছবি: সংগৃহীত

নির্মাতা হিসেবে প্রাপ্তি কিংবা আনন্দ জায়গা কতটুকু?

অনেক বেশি। প্রাপ্তির কথা বললে বলতে হবে, যেটা টার্গেট করে এসেছি সেটাই করতে পারছি। আর আনন্দ তো হবেই কাজ করতে কার না ভালোলাগা বলেন? যদি কখনো কাজ না করতে পারি তখন হয়তো আর আনন্দের জায়গাটা থাকবেনা।

যেহেতু অধিকাংশ নির্মাতারা ওটিটির দিকে ঝুঁকছেন এ ক্ষেত্রে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

সবারই ভালো ভালো কাজ করার ইচ্ছে থাকে, তেমনি আমারও আছে। নাটকে একটা গল্প বলার সময় অনেক রকমের বাধা থাকে। যেটা ওটিটিতে নেই। সব কিছু মিলিয়ে একজন পরিচালকে তুলে ধরার অনেক বড় একটা যায়গা। আপাতত নাটকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি। সময় ও সুযোগ হলে ওটিটি’তে কাজ করবো।

 

ইত্তেফাক/বিএএফ