ধর্ষণকে সামরিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : জাতিসংঘ

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২২, ০২:৩১

ইউক্রেনে ধর্ষণকে সামরিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া। এমন তথ্য জানিয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি প্রমীলা প্যাটেন। যৌন সহিংসতা বিষয়ক জাতিসংঘের প্রতিনিধি তিনি। সম্প্রতি জাতিসংঘ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে যাতে রুশবাহিনীর বিরুদ্ধে শতাধিক ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। 

প্রমীলা এই রিপোর্ট প্রসঙ্গে বলেন, সেখানে অনেক নারী বর্ণনা করেছেন যে, ধর্ষণের জন্য রুশ সেনারা ভায়াগ্রা গ্রহণ করতো। এতেই বুঝা যায়, এটি একটি সামরিক কৌশল। এদিকে ইউক্রেনকে ৭২ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আর সৌদি আরব মানবিক সহায়তা হিসেবে দিচ্ছে ৪০ কোটি ডলার।

গত বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রমীলা বলেন, অনেক শিশুকেও ধর্ষণ করা হয়েছে। তবে যে পরিমাণ ধর্ষণের খবর আমরা পেয়েছি, বাস্তবে সে সংখ্যা আরো অনেক বেশি। কারণ, যৌন সহিংসতার ঘটনা খুব বেশি প্রকাশিত হয় না। তিনি আরো বলেন, শিশুদের ধর্ষণ করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে। আমি গত ফেব্রুয়ারি থেকে বলে আসছি, এই অভিযোগগুলো নিয়ে বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। রাশিয়ার অভিযানের পর থেকেই ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা মস্কোর  বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ আনছে। 

  • ৭২ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের

হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইউক্রেনে আরো ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। ইউরোপীয় মিত্রদেশগুলোর কাছ থেকে আরো সহায়তা চেয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইউক্রেন জুড়ে রাশিয়ার সহিংস ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ সহায়তা দেওয়া হবে। ব্লিনকেন পরে এক টুইটে বলেন, ‘ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে পিছু হটিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের পাশে রয়েছে।’

  • ইউক্রেনকে ৪০ কোটি ডলার দেওয়ার ঘোষণা সৌদির

ইউক্রেনকে ৪০ কোটি ডলারের মানবিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সৌদি আরব। গত শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে এক ফোনালাপে এমন প্রতিশ্রুতি দেন সৌদি আরবের ডি ফ্যাক্টো শাসক ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)। সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

 

ইত্তেফাক/ইআ