যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, তাইওয়ানকে খুব দ্রুত একীভূত করতে সামনের দিকে এগোচ্ছে চীন। আগে যা ধারণা করা হয়েছিল তার চেয়েও বেশি দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে বেইজিং।
গত রোববার (১৬ অক্টোবর) কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেসের উদ্বোধনী বক্তব্যে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছিলেন, তাইওয়ানকে একীভূত করতে শক্তি প্রয়োগ করা থেকেও পিছপা হবে না তার দেশ। এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য এলো। এদিকে চীনজুড়ে শি জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ব্লিনকেন বলেন, তাইওয়ানকে স্বশাসনের অধিকার দেওয়াটা আর গ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে না চীন। চীন শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাইওয়ানকে মূল ভূমির সঙ্গে যুক্ত করতে না পারলে সম্ভবত শক্তি প্রয়োগ করবে।
যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে দেওয়া তার অঙ্গীকার রক্ষা করবে এবং সেখানে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সহায়তা করবে জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তবে ওয়াশিংটন সবসময়ই কূটনৈতিক পন্থাকে গুরুত্ব দেয়।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও বলেছিলেন, চীন হামলা করলে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র।
শি জিনপিং-বিরোধী বিক্ষোভ
চীনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে, যা বিরল বলেই মনে করা হয়। বিক্ষোভ বন্ধ করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, বেশিরভাগ প্রতিবাদ হচ্ছে অনলাইনে। তবে বিভিন্ন অঞ্চলেও গ্রুপভিত্তিক বিক্ষোভ চলছে। তারা ব্যানার টাঙিয়ে বিক্ষোভ করছে। ব্যানারে লেখা আছে—‘আমরা খাবার চাই, পিসিআর টেস্ট না, আমরা স্বাধীনতা চাই, লকডাউন এবং নিয়ন্ত্রণ নয়, আমরা সম্মান চাই, মিথ্যা নয়।’
