শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩, ১৩ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা 

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২২, ২১:৪৫

সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মশক নিধন অভিযানের দ্বিতীয় দিনে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ১৫টি মামলায় মোট ১০ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। 

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর ১০টি অঞ্চলে একযোগে অভিযান পরিচালনা করেছেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।

ছবি- সংগৃহীত

অভিযান পরিচালিত স্থানগুলো হলো:
ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন আগারগাঁও এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ এডিস মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ মশক নিধন অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে একটি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত এবং রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করায় আরেকটি মামলায় এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অঞ্চল-০৪ এর আওতাধীন ১১ ও ১৩নং ওয়ার্ডস্থিত কল্যাণপুর নতুন বাজার, পূর্ব মনিপুর এলাকায় অভিযানকালে প্রায় ১০৫টি ভবন, স্থাপনা, জলাশয়, রেস্টুরেন্ট ও দোকানপাট পরিদর্শন করা হয়েছে। একটি বাড়িতে লার্ভা পাওয়ায় একটি মামলায় দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবেদ আলী এই অভিযান পরিচালনা করেন।

অঞ্চল-৬ এর আওতাধীন উত্তরা ১৩নং সেক্টর এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরীন অভিযান পরিচালনা করেন। উত্তরা এলাকায় অভিযান পরিচালনাকালে তিনটি নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। ভবন মালিককে ৩টি মামলায় দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অঞ্চল-৯ এর আওতাধীন খিলবাড়িরটেক এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল বাসেত অভিযান পরিচালনা করেন। তিনটি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৩টি মামলায় ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অঞ্চল-৩ এর আওতাধীন এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল বাকী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে ১টি নির্মাণাধীন ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ১টি মামলায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ছবি- সংগৃহীত

অঞ্চল-২ এর আওতাধীন রূপনগর এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে লার্ভা পাওয়ায় একটি মামলায় ৫০ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অঞ্চল-১ এর আওতাধীন কুড়িল এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলকার নায়ন অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে বাসা বাড়ী ও নির্মাণাধীন ভবনে, ফাঁকা প্লট, ড্রেন ঝোপঝাঁড়ে কিউলেক্স মশক বিরোধী অভিযান ও সমন্বিততভাবে এডিশ বিরোধী অভিযানে ৬টি স্থানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৩টি মামলায় মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ৩টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

ইত্তেফাক/এনএ/এমএএম