পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রবীণ আইনজীবী, মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা এম নুরুল হক আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। প্রবীণ এই নেতার মৃত্যুতে পিরোজপুর জেলায় আওয়ামী পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শুক্রবার ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে কলেজ পাড়াস্থ তার নিজ বাসভবনে এই রাজনীতিক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে এম. নুরুল হকের বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। এই নেতা স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
নুরুল হকের মৃত্যুর খবর শুনে বাসায় ছুটে যান পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য এম. আউয়ালসহ বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
শুক্রবার বিকেলে পারিবারিক কবর স্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন নুরুল হক। এর আগে দুপুর ২টায় কাউখালী সরকারি বালক বিদ্যালয় মাঠে সকালে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে তার নিজ গ্রাম আইরন জয়কুল এমএম মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা হয়। তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা (গার্ড অব অনার) দেওয়া হয়। তার কফিনে রাষ্ট্রের পক্ষে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান।
আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান আছে বলেই ধান কাটা লোকের অভাব: প্রধানমন্ত্রী
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন- পিরোজপুরের জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, ইন্দুরকানি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, কাউখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ মিঞা মনু এবং জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, পিরোজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সম্পাদকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর শোক প্রকাশ:
অ্যাডভোকেট এম. নুরুল হকের মৃত্যুতে জাতীয় পার্টি জেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি এবং পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তাসমিমা হোসেন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পৃথক পৃথক শোক বার্তায় তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
