শ্যামনগরে সিত্রাং আতঙ্কে মানুষ, ২০০ কিমি নদীরক্ষা বাঁধ ঝুঁকিতে    

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২২, ১৬:৫৩

সিডর,আইলা, বুলবুল, আমফান ও ইয়াসের পর ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। এর প্রভাবে লঘূচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়ে সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টি ও মাঝারি ধরনের দমকা হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। সাতক্ষীরার শ্যামনগরের উপকূলীয় মানুষ আইলা ও আমফানের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আবারও ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। 

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, ঘূর্ণিঝড়টি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আগামীকাল সকালে উপকূলীয় এলাকায় আঘাত আনতে পারে। নদীতে ৫ হতে ৮ ফুট জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এসব সংবাদে উপকূলীয় মানুষের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।  

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ। ছবি: ইত্তেফাক

শ্যামনগর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন (এসো) জানান, ২০০ কিলোমিটার পাউবোর বেড়িবাঁধের মধ্যে ২০টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ। আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো সংস্কার করা হয়েছে। তাছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দুর্যোগ মোকাবিলায় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।    

গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম জানান, পাউবোর বেড়িবাঁধের অবস্থা ভালো না। ঘূর্ণিঝড়ে নদীতে জলোচ্ছ্বাস হলে গাবুরা, পম্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনীসহ কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হতে পারে।’

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আকতার হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উপকূলীয় মানুষদের নিরাপদে নেওয়ার জন্য ১০৩টি সাইক্লোন সেন্টার স্কুল, মাদ্রাসাসহ ২০০ টি আশ্রয়ন কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষদের আনার জন্য বিভিন্ন এনজিও ও সিপিপি ৫ হাজার সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

ইত্তেফাক/এএএম