যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দলের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী ও মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পালের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটি'র আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।
নিক্সন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ভোট ও ভাতের অধিকার আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ প্রতিটি আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুকন্যার প্রধান শক্তি হিসেবে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। এই সমাবেশে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার সম্মতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী যুবলীগের উপর সর্বোচ্চ আস্থা রেখেছেন। এখন সেই আস্থার মর্যাদা আমাদেরই দিতে হবে। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি জামায়াত গোটা বাংলাদেশে যে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে তার জবাব যে যুবলীগ সংগঠন হিসেবে যেকোন সময় দেবার সক্ষমতা রাখে সেই প্রমাণ এই মহাসমাবেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে। স্বাধীনতা বিরোধীরা যেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে তাতে রাজনৈতিক শক্তি এবং সামর্থ্য প্রদর্শন করা এখন অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধীদের মোকাবিলা করার জন্য যুবলীগের সম্মানিত চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নেতৃত্বে যুবলীগ একাই একশ। এছাড়া সারাদেশে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যারা লালন পালন এবং ধারণ করে তাদেরকে এই মহাসমাবেশ উৎসাহিত করবে এবং অনুপ্রেরণা দিবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১১ নভেম্বর আপনাদের প্রিয় সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে যুব মহাসমাবেশে সকল দেশবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে দাঁত ভাঙা জবাব দিবে যুবলীগ। যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উৎসব, যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উৎসব।
এসময় বক্তব্য রাখেন- যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মাজহারুল ইসলাম, জহির উদ্দিন খসরু, আবু মুনির মোঃ শহিদুল হক চৌধুরী রাসেল, মশিউর রহমান চপল, প্রচার সম্পাদক ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য জয়দেব নন্দী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য সাদ্দাম হোসেন পাভেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য বিপ্লব মোস্তাফিজ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য অ্যাড. হেমায়েত উদ্দিন মোল্লা, উপ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য সরিফুল ইসলাম দুর্জয়, ব্যারিস্টার তৌফিকুর রহমান সুজন।
