আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নয়: কাদের

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২২, ১৭:০৯

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নয় উল্লেখ করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রতিহিংসার রাজনীতির জনক হচ্ছে বিএনপি। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা প্রমাণ করে কারা প্রতিহিংসার রাজনীতি করে।

বুধবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর সেতু ভবনে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির প্রতিহিংসার রাজনীতির বিপরীতে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়াসের নাম হচ্ছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি- ফেসবুক থেকে নেওয়া

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সব কষ্ট ভুলে উদার রাজনীতির ধারা সৃষ্টি করতে চান বলেই সন্তান হারানোর শোকে সান্ত্বনা দিতে বেগম খালেদা জিয়ার বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তখন কি আপনারা মানবিক আচরণ করেছিলেন? নির্বাচন সামনে রেখে বেগম খালেদা জিয়াকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তখনও আপনারা কী ভাষায় জবাব দিয়েছিলেন? এরপরও বিএনপির সঙ্গে দুই দফা সংলাপে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপি আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র করলেও দেশের ও জনগণের স্বার্থে তাদের প্রতি উদারতা দেখিয়েছি আমরা। বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি, বলেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি- ফেসবুক থেকে নেওয়া

জিয়া পরিবারকে নিয়ে সরকার আতঙ্কে ভুগছে বলে বিএনপি মহাসচিব যে বক্তব্য দিয়েছেন তার জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জিয়া পরিবারের দুঃশাসন আর দুর্নীতির ইতিহাস সবাই জানে। দুর্নীতি, লুটপাট, অপকর্মের জন্য এখন বিএনপির নেতাই নির্বাসনে, দেশে আসার সৎসাহসও নেই। বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে মুচলেকা দিয়ে পালানোর রাজনীতি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি- ফেসবুক থেকে নেওয়া

সবকিছুতে সরকারের দোষ খোঁজা আর দায় চাপানো বিএনপির অভ্যাস ও সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, দুদকের মামলায় সস্ত্রীক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। এটি আইনগত প্রক্রিয়া। এখানে সরকারের কোনও হস্তক্ষেপ নেই। সরকার ও সরকারি দলের অনেকের বিরুদ্ধেও দুদক মামলা হয়েছে। কারও কারও বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এ ব্যাপারে দুদক স্বাধীন ভূমিকা পালন করছে।

ইত্তেফাক/এমএএম