ফরিদপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচন

কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম, পর্যবেক্ষণ চলছে সিসি ক্যামেরায়

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২২, ১৫:২০

ফরিদপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চলছে। শনিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। ঢাকার নির্বাচন ভবন থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে তা পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চলা এই নির্বাচনে সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম। কোনো কোনো কেন্দ্রে দেখা গেছে, ভোটার একেবারেই নেই। অলস সময় পার করছেন আনসার সদস্যসহ কেন্দ্রের দায়িত্বরতরা।

ফরিদপুর-২ আসনটি নাগরকান্দা, সালথা ও সদরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এতে ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ১৮ হাজার ৪৭৯ জন। নির্বাচনে ১২৩ ভোটকেন্দ্রের ৮০৬টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।

সরেজমিনে সালথা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, কেন্দ্রে ভোটার নেই বললেই চলে। তবে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা প্রিজাইডিং অফিসারের।

ফাঁকা ফোটকেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত

নগরকান্দার রামনগর ইউনিয়নের রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তালমা ইউনিয়নের আমিন উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও একই চিত্র দেখা গেছে।

আমিন উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ইউসুফ আলী খান বলেন, সকালে ভোট শুরু হলেও ভোটারদের উপস্থিতি তেমন নেই। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।

ইসির যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ফরিদপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ১ হাজার ৫২টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। শনিবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা নির্বাচন ভবন থেকে পর্যবেক্ষণ করছেন।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, ঝিনাইদহ পৌরসভা, গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন, সিলেটের বিশ্বনাথ, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, জামালপুরের হাজরাবাড়ী, দিনাজপুরের পার্বতীপুর পৌরসভা নির্বাচন সিসিটিভির মাধ্যমে সফলভাবে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনার ধারাবাহিকতায় ফরিদপুর-২ উপনির্বাচন মনিটরিং করা হচ্ছে। ইভিএমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত পরবর্তী সব নির্বাচন সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করার পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

প্রসঙ্গত, নির্বাচনে শাহাদাব আকবার লাবু চৌধুরী (আওয়ামী লীগ) ও জয়নুল আবেদীন বকুল মিয়া (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রয়াত সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

ইত্তেফাক/এসকে