কাহারোলে আমন ধানের বাম্পার ফলন

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২২, ১৫:২২

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে আগাম জাতের আমন ধান পুরোদমে কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, মাঠে মাঠে কৃষকেরা ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছে।

প্রায় ১ মাস আগে থেকেই মাঠজুড়ে পাকা শুরু করে আমন ধান। কৃষকেরা ইতোমধ্যে ব্রি-ধান, বিনা ধানসহ স্থানীয় অনেক জাতের আমন কেটেছে। বাড়িতে নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধ ছড়াচ্ছে। নতুন ধান কেটে মাড়াই করে খড়ের দামও পাচ্ছে তারা। আগাম জাতের ধান কেটে ওই জমিতে আলু, ভুট্টা, গমসহ শীতকালীন সবজি আবাদও করা হচ্ছে।

আমন ধান রোপণের পর থেকে শস্য না কাটা পর্যন্ত কৃষি শ্রমিকদের হাতে কোন কাজ থাকতো না। বর্তমানে কৃষি শ্রমিকেরা ভুট্টা, আলু ও গমসহ বিভিন্ন জমিতে কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন।

কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৫ হাজার ২৫০ হেক্টর। চাষ করা হয় ১৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। প্রকারভেদে প্রতি মণ ধান বিক্রি হয়েছে ১১৫০ থেকে ১২৮০ টাকা পর্যন্ত।

কাহারোল উপজেলার ডহচি গ্রামের কৃষক হরিকান্ত রায় জানান, তিনি এবার আমন মৌসুমে বিভিন্ন জাতের আগাম ধান আবাদ করে বেশ লাভবান হয়েছেন। আগাম জাতের ধান কাটার পর সেই জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন তিনি।

কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকতা আবু জাফর মো. সাদেক জানান, উপজেলায় আগাম জাতের বিনা ধান-১৭, বিনা ধান-৭, ব্রি-ধান-৮৭ ও ৭৫ এবং হাইব্রিড জাতের কিছু ধান ইতোমধ্যে কাটা-মাড়াই শেষ হয়েছে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে দাম বেশি থাকায় কৃষকেরা লাভের মুখ দেখছেন।

তিনি বলেন, আমন ধান উৎপাদনের জন্য কৃষকদের নানাভাবে সহযোগীতা করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কর্মকর্তারা কৃষকদের সবসময় পরামর্শ দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ইত্তেফাক/এসকে