যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুক্রবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে যুব মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ১০ লাখের বেশি যুবকের সমাগম ঘটিয়ে মহাসমাবেশকে স্মরণকালের বৃহৎ জনসমুদ্রে পরিণত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সংগঠনটি।
এরই মধ্যে মহাসমাবেশে যোগ দিতে সকাল থেকে যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা রাজধানীতে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করেছেন। এছাড়া ঢাকার বাইরের নানা জেলা-উপজেলা থেকে বিভিন্ন যানবাহনে ঢাকায় প্রবেশ করছেন নেতা-কর্মীরা।
শুক্রবার ধর্মপ্রাণ মুসলমান জুমার নামাজ আদায় করেন। এ বিষয়কে মাথায় রেখে সম্মেলনস্থলে জামাতে জুমার নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেউ চাইলে বাইরে গিয়ে তাদের সুবিধামতো মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল জানিয়েছেন, বহু লোকসমাগমের বিষয়টি চিন্তা করে সমাবেশস্থলে জুমার নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অবশ্য কেউ যদি বাইরে গিয়ে নামাজ পড়তে চান, সেই সুযোগও থাকবে।
এদিকে, সকাল থেকেই বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে মিছিল নিয়ে যুবলীগ নেতা-কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকায় ঢুকছেন। এছাড়া ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যেতে দেখা গেছে।
নেতা-কর্মীরা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’সহ নানা স্লোগান দিচ্ছেন। বেশিরভাগেরই পরনে সবুজ রঙের পোশাক, মাথায় ক্যাপ।
সমাবেশ ঘিরে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়েছে। উদ্যানে লেকের পূর্বপ্রান্তে মঞ্চ এবং দৃষ্টিনন্দন সুবিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। পুরো ঢাকা শহরের প্রধান প্রধান সড়কের পাশে জাতীয় পতাকার পাশাপাশি যুবলীগের পতাকা দিয়েও সাজানো হয়েছে বর্ণাঢ্য রূপে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুব মহাসমাবেশে সকলের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দেবেন। সেই বার্তা শোনার জন্যই মানুষের ঢল নামবে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। এটি হবে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় যুব মহাসমাবেশ।
