দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের ভুল্লারডাঙ্গা বাজার ও পুলহাট বাজারের মধ্যস্থল মিল চাতালের পার্শ্বে ধানক্ষেত থেকে একরামুল হক (৫৬) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অপরদিকে খামারপাড়া ইউনিয়নের বোর্ডেরহাট এলাকার বালাপাড়া দাখিল মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহকারী মৃত আ. গফুরের স্ত্রী অমিছা বেগম (৭০) ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার ধাক্কায় নিহত হয়েছে।
রোববার (১৩ নভেম্বর) সকালে ভাংরি ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার ও দুপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধার নিহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতের ভাংরি ব্যবসায়ী একরামুলের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার গোয়ালডিহি গ্রামের তেলিপাড়া গ্রামের ঘটু মিয়ার ছেলে নিহত একরামুল। তিনি স্থানীয় পুলহাট বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ফেরি করে ভাংরি সংগ্রহ করে খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করতেন। অন্যান্য দিনের মতো গত শনিবার সকাল আটটায় তিনি বাড়ি থেকে বের হন ব্যবসার উদ্দেশ্যে। গ্রামে ঘুরে ঘুরে সন্ধ্যার পর পুলহাট বাজারে দোকান করার পর ভ্যান রেখে নিখোঁজ হন তিনি। রাতে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ খবর নেন তার ছেলে অহিদুল ইসলাম। তার বাবার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
অপরদিকে অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহতের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃদ্ধা রসুন কাটার উদ্দ্যেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় পিছন থেকে একটি অটোরিকশা ধাক্কা দেয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্মরত চিকিৎসক বৃদ্ধার অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত সময়ের মধ্যে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। দিনাজপুরে নিয়ে যাওয়ার পথে বৃদ্ধা মারা যান।
খানসামা থানার ওসি চিত্তরঞ্জন রায় ঘটনা দুটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভাংরি ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধারের পর প্রাথমিকভাবে সুরতহাল করে শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী হত্যা দাবি করায় লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর বৃদ্ধার পরিবারের লোকজনের কোনো আপত্তি না থাকায় তার পরিবারের সদস্যদের কাছে দাফনকার্য সম্পন্ন করার জন্য লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
